• শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন
Headline
পদ্মার বুকে বিচ্ছিন্ন জনপদ, বেঁচে থাকাই যেখানে সংগ্রাম মুক্তাগাছায় নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু: স্বাস্থ্যসচিব পুলিশ সপ্তাহ শুরু রবিবার, ১০৭ জনকে পদক দেবেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা ও দেশে ফেরার রাষ্ট্রাচারে পরিবর্তন রাজধানীতে ফের বেড়েছে মশার উপদ্রব, ডেঙ্গুর ভয় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দেশের রাজনৈতিক ইকোসিস্টেমের প্রতিফলন: ড. ইফতেখারুজ্জামান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে নির্বাচনের আগে দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে: তারেক রহমান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর বানানো ‘স্মার্ট কারে’ চড়লেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি খাতকে মুনাফাভোগী নয়, সেবাখাত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে : ক্যাব

Reporter Name / ০ Time View
Update : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধান ও দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এই খাতকে মুনাফাভোগী নয়, বরং সেবাখাত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম। শনিবার (৯ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে সেন্টার ফর ইনক্লুসিভ পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স আয়োজিত ‘জ্বালানি সংকটের কারণ ও প্রভাব এবং সমাধান’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ইজাজ হোসেন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. আবদুল মোমেন প্রমুখ।
অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, বিগত সরকারের আমলে বিশেষ আইন ও বিইআরসি আইনের সংশোধনীর মাধ্যমে জ্বালানি খাতে অলিগার্ক বা অসাধু ব্যবসায়ীদের উত্থান ঘটে। রাষ্ট্র এই খাতকে সেবাখাত থেকে বাণিজ্যিক খাতে রূপান্তর করায় এটি এখন লুণ্ঠন ও দুর্নীতির চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সরকার নানা সংস্কারের কথা বললেও জ্বালানি খাতের এই লুণ্ঠনমূলক কাঠামোকে এখনো অক্ষত রেখেছে। তিনি বলেন, জ্বালানি সার্বভৌমত্ব আজ বিপর্যস্ত। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠিত জ্বালানি ব্যবস্থা ভাঙতে হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বেশি খরচ করেও প্রয়োজনীয় উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারছে না। তাই বর্তমান সরকারকে তেল-গ্যাসের পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানির উৎস নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, জ্বালানি সমস্যা সমাধানে সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিলে এর সমাধান করতে পারবে। কুইক রেন্টালে যে ভর্তুকি সরকার দেয় তা যদি রিনিউবল এনার্জিতে দেয় তাহলে বিকল্প জ্বালানি প্রসারিত হবে। আমাদের দেশের মসজিদ, স্কুল ও সরকারি ভবনগুলো যদি সোলারের আন্ডারে আনা যায়, তাহলেও বিদ্যুতের অনেক চাহিদা মেটানো সম্ভব। বাপেক্সকে শক্তিশালী করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং সমন্বিত জ্বালানি পলিসি গঠন করতে হবে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ইজাজ আহমেদ বলেন, ১ পার্সেন্ট কৃষি জমি যদি সোলারের জন্য নেওয়া হয়, তাহলে বছরে ৫০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। তাই সরকারকে বিকল্প জ্বালানির সঙ্গে বর্তমান জ্বালানি ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে।
সেমিনারে যেসব সুপারিশগুলো উত্থাপন করা হয় সেগুলো হলো: ১. জ্বালানি খাতকে পুনরায় ‘সেবাখাত’ হিসেবে ঘোষণা করা। ২. মূল্যবৃদ্ধির পরিবর্তে লুণ্ঠনমূলক ব্যয় ও অযৌক্তিক মুনাফা কমিয়ে ভর্তুকি সমন্বয় করা। ৩. বিইআরসি-কে শক্তিশালী ও কার্যকর করা এবং জ্বালানি অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা। ৪. স্বার্থের সংঘাত এড়াতে মন্ত্রণালয়কে কোম্পানিগুলোর পরিচালনা বোর্ড থেকে সরিয়ে আনা। ৫. বাপেক্সকে শক্তিশালী করা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category