• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন

বিনা মূল্যে ২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ, নারীদের সুরক্ষায় বিশেষ বাহিনী—মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের প্রথম আদেশ

Reporter Name / ৫ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই পুরোদমে সরকারি দায়িত্ব পালন শুরু করে দিয়েছেন চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় (থালাপতি বিজয়)। রবিবার শপথ নিয়ে প্রথম সরকারি আদেশে সই করেছেন থালাপতি বিজয়। সেই অনুযায়ী, জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে তামিলনাড়ুর নতুন রাজ্য সরকার আবাসিক গ্রাহকদের ২০০ ইউনিট করে বিদ্যুৎ বিনা মূল্যে দেবে। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ বাহিনী গঠন করার আদেশ দিয়েছেন। রবিবর স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ নেন থালাপতি বিজয়। তামিলনাড়ুর গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শপথ পড়ান। শপথ নেন নতুন সরকারের নয়জন মন্ত্রীও।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিক ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) রাজ্য পর্যায়ের শীর্ষ নেতারাও এসেছিলেন। তামিলনাড়ুর ২৩৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮টি আসন। গত শুক্রবার পর্যন্ত থালাপতি বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগামের (টিভিকে) সমর্থন ১১৬ আসনে আটকে ছিল। এ কারণে গভর্নর সরকার গঠনের আহ্বান জানাননি।
কয়েক দিনের নাটকীয়তার পর ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সমর্থনে ১২০ আসন নিশ্চিত করে জোট সরকার গড়েছে টিভিকে। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন থালাপতি। তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক ইতিহাসে এবারই প্রথম কয়েকটি দল মিলে জোট সরকার গঠন করল।
তার শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন ভারতীয় কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী। এছাড়া সেখানে অন্যান্য দলের নেতারাও ছিলেন।
গত সোমবার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ২৩৪টি আসনের মধ্যে একক দল হিসেবে সর্বোচ্চ ১০৮টি আসনে জয় পায় থালাপতির টিভিকে। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য যেহেতু ১১৮টি আসন পেতে হবে। তাই আরও পাঁচটি দলের সঙ্গে জোট গঠন করতে হয়েছে বিজয়কে। এতে ভারতীয় কংগ্রেসসহ অন্যান্য দল তাকে সমর্থন দিয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যার দিকে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন থালাপতি। ওই সময় তিনি রাজ্যপালকে জানান আরও দুটি দল তাকে সমর্থন দিয়েছে। এতে করে তার দল টিভিকে ও জোটের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২০ এ। এ সময় সরকার গঠনের অনুমতি চান তিনি। তবে রাজ্যপাল যাচাই বাছাই করেন থালাপতি সত্য বলছেন কি না। বিশেষ করে ভিসেকে ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) তাকে সমর্থন জানিয়ে যে চিঠি দিয়েছে সেগুলো আসল কি না তা রাজ্যপাল যাচাই করেন। যাচাই বাছাই শেষে যখন রাজ্যপাল নিশ্চিত হন বিজয় থালাপতি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছেন, তখন তিনি শপথ গ্রহণের তারিখ ও সময় সম্পর্কে থালাপতিকে জিজ্ঞেস করা হয়। থালাপতি তখন সিদ্ধান্ত দেন রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চেন্নাইয়ের নেহরু স্টেডিয়ামে তিনি শপথ নেবেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category