• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অধস্তন আদালতে বিচারাধীন ৪০ লাখ ৪২ হাজার মামলা : আইনমন্ত্রী অদক্ষ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্র পড়লে জনগণের অনেক ভোগান্তি হয় : স্পিকার ক্ষমতার পরিবর্তনের চেয়ে মানসিকতার পরিবর্তন বেশি জরুরি: প্রধানমন্ত্রী বিচারিক দায়িত্ব ফিরে পেলেন বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামান আইনশৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশ বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস পরিবর্তন করা হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা আমার এলাকার হাসপাতাল ‘নিজেই একটা রোগীর মতো’: সংসদে রুমিন ফারহানা ২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী চীন

চীনের ১০০০ শয্যার হাসপাতাল গাইবান্ধায় স্থাপনের দাবিতে সংহতি সভা

প্রভাত রিপোর্ট / ১৪১ বার
আপডেট : শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫

নজরুল ইসলাম, গাইবান্ধা : বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নির্মিতব্য ১০০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি গাইবান্ধায় নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ছাত্র-জনতা। এ লক্ষ্যে শনিবার গাইবান্ধা পৌর শহীদ মিনার চত্বরে সংহতি সভার আয়োজন করা হয়। সভায় জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।
চীনের উপহারের হাসপাতালটি গাইবান্ধায় স্থাপনের দাবিতে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক সংগঠক আলমগীর কবীর বাদল, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি অমিতাভ দাশ হিমুন, জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মইনুল হাসান সাদিক ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহামদুুন্নবী টিটুল, সিভিল সার্জন ডা. মো. রফিকুজ্জামান, চিকিৎসক নেতা ফেরদৌস হোসেন মঞ্জু, ডা. শামসুজ্জোহা সাজু, ডা. আসাদুজ্জামান সাজু, ব্যবসায়ী নেতা মকসুদার রহমান শাহান, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ সরকার ও সহকারী সম্পাদক ফয়সাল কবির রানা, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ফেরদৌস ইসলাম রুম্মন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি খন্দকার জাকারিয়া জিম প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন ছাত্র-জনতার পক্ষে ফিহাদুর রহমান দিবস।
বক্তারা বলেন, দেশের সবচেয়ে অবহেলিত জেলা গাইবান্ধা। এখানে কোনো কলকারখানা নেই। নেই কর্মসংস্থানের কোনো সুযোগ-সুবিধা। এখানকার সাধারণ মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর ও ঢাকায় যেতে হয়। গাইবান্ধায় ১০০০ হাজার শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ও আনুষাঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণে যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। এখানে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রীর হাসপাতালটি নির্মিত হলে বৃহত্তর রংপুরের মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও