• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
উপকূলবাসীকে রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী ‘শ্রম আইনের ওপর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভর’ এআইনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ ৯ অ্যাপ-সফটওয়্যার চালু জামায়াত নিজেই স্বীকার করে নিয়েছে কারা খুনি-ধর্ষক ছিল: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে আনা হোক: রুমিন ফারহানা দুই অঙ্ক থেকে কমিয়ে সুদহার বিনিয়োগবান্ধব করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী দাম বাড়লো সয়াবিন তেলের ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননায় ভূষিত রুনা লায়লা জুলাই থেকে ফ্রি ড্রেস-ব্যাগ-জুতা পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা ৩৫ বছর পরও উপকূলে আতঙ্ক: ১৯৯১-এর ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষত আজও শুকায়নি
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন উচ্চারিত হবে জুলাই যোদ্ধাদের নাম

প্রভাত রিপোর্ট / ১৬০ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি শুধু ইতিহাস নয়, তা হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের জাতীয় চেতনার অবিচ্ছেদ্য অংশ। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন উচ্চারিত হবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ, আহত ও সংগ্রামীদের নাম — এমনই মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা আসিফ মাহমুদ। শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের সামনে অনুষ্ঠিত প্রতীকী ম্যারাথনে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রতীকী ম্যারাথনে অংশ নেন শহীদ পরিবার, আহত মুক্তিযোদ্ধা এবং তরুণ প্রজন্মের প্রায় সাত শতাধিক প্রতিযোগী।
ম্যারাথন শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে এক আবেগঘন বক্তব্যে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, যতদিন বাংলাদেশের নাম থাকবে, ততদিন উচ্চারিত হবে জুলাই আন্দোলনের শহীদ, আহত ও জুলাই যোদ্ধাদের নাম। এ নাম মুছে ফেলা যাবে না কোনো ইতিহাস থেকে, কোনো ষড়যন্ত্র দিয়ে ঢাকা যাবে না। তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন একটি ম্যারাথনের মতো। সময় যতই লাগুক, দেশপ্রেম আর সংগ্রামের শক্তিতে আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবই। আজকের এই প্রতীকী ম্যারাথনে যেমন কারো আলাদা ট্রেনিং ছিল না, তেমনি জুলাইয়ের লড়াকুরাও কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই লেথেল ওয়েপনের বিরুদ্ধে সাহসিকতা নিয়ে দাঁড়িয়েছিল।
আসিফ মাহমুদ বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে নাগরিক মর্যাদা ও সাম্যের জন্য যে লড়াই জুলাই মাসে হয়েছিল, তা কেবল একটি সময়ের আন্দোলন ছিল না, বরং ছিল একটি নতুন রাষ্ট্রকাঠামোর স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন আজও অসম্পূর্ণ, এবং সেই কাজ শেষ করতে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং আহতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় আয়োজকদের পক্ষ থেকে। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল একটি আবেগঘন পরিবেশ এবং ‘জুলাই চেতনাকে’ আগামীর প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও