• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জামিন পেলেন ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো ইমি ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলের অপ্রাসঙ্গিক আইন সংশোধন করা হবে : আইনমন্ত্রী প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে ঘুষি মেরে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক ১৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ পেনাল্টিতে ড্র করে দ্বিতীয় লেগে তাকিয়ে আর্সেনাল-অ্যাতলেটিকো সব আসরের রেকর্ড ভাঙল আইপিএল, রিকেলটনের রেকর্ড সেঞ্চুরি ম্লান বিশ্বকাপের টিকিট ও যাতায়াতে অতিরিক্ত খরচ, প্রতারণা-অপরাধ বৃদ্ধির শঙ্কা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফিরতি লেগের আগে জোড়া দুঃসংবাদ পিএসজির আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরছেন আফগান নারীরা চলচ্চিত্র নির্মাণে ২০ লাখ টাকা অনুদান দিচ্ছে সরকার আসিম আজহারের কনসার্টকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় হানিয়া আমির

সোহাগ হত্যার ঘটনায় দোষ স্বীকার করলো মূল হোতা মহিন

প্রভাত রিপোর্ট / ১১৬ বার
আপডেট : রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: রাজধানীর পুরান ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (মিটফোর্ড হাসপাতাল) সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ (৩৯) হত্যার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুল হাসান মহিন আদালতে দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
রবিবার (২০ জুলাই) পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমানের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে, গত ১০ জুলাই প্রথম দফায় ৫ দিন ও ১৫ জুলাই দ্বিতীয় দফায় মহিনের ফের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
জানা যায়, গত ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে (৩৯) এলোপাতাড়ি পাথর দিয়ে আঘাত করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ওই ঘটনায় পরের দিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়। একই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি অস্ত্র মামলা দায়ের করে।
নিহত মো. সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার ৪ নম্বর রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও