• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা বাইক শো-তে সিএফএমওটিও নিয়ে এলো ‘জিহো’ এবং নতুন মোটরসাইকেল লাইনআপ রাজশাহী ব্যাংকার্স ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্টের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন এনআরবিসি ব্যাংক চট্টগ্রাম নগরে এক দিনে তিন স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার যোগ দিলেন এনসিপিতে শরণখোলায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য লম্বা লাইন ছোট হয়ে আসছে শূন্যে নামবে সেশনজট, অনেক কলেজে বন্ধ হতে পারে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স তীব্র গরমে পুড়ছে দেশ, অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

পোশাক শিল্পে ২ লাখ শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়েছে : বিটিএমএ সভাপতি

প্রভাত রিপোর্ট / ১১৩ বার
আপডেট : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: নানা সংকটে দেশের ৫০টি টেক্সটাইল মিল বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। নিজের একটি কটন মিল বন্ধ হয়ে গেছে উল্লেখ করে নিজেকেও টেক্সটাইলবিহীন সভাপতি হয়ে যেতে পারেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এই খাতকে বাঁচাতে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত চেয়েছেন বিটিএমএ সভাপতি। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশান ক্লাবে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।‘স্পিনিং সেক্টরে দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যমান বহুবিধ সমস্যা ও তা থেকে উত্তরণে সরকারের করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ প্রনয়নের নিমিত্তে‘ এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে বিটিএমএ।
বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানান, এখন ব্যবসায় সংকট। অর্থনীতিতে সংকট। রাজনীতিতে সংকট। ভারতের সুতা বাংলাদেশে ডাম্পিং হচ্ছে ৩০ সেন্ট কম মূল্য হ্রাস করে। এরইমধ্যে ৫০টি মিল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ২ লাখ কর্মসংস্থান হারিয়েছে দেশ। চাইলেই বন্ধ হওয়া মিলগুলো চালু করা যাবে না। এ খাত নিয়ে বিগত ২০ মাসে সরকারের কোনো আলোকপাত দেখতে পাইনি।
রাসেল বলেন, ভারতের সুতা বাংলাদেশে ডাম্পিং হচ্ছে ৩০ সেন্ট মূল্য হ্রাসে। ক্রমশই আমাদের মিলগুলো রুগ্ন হয়ে গেছে। এই পর্যন্ত ৫০টা মিল বন্ধ হয়ে গেছে। এই কারখানাগুলোতে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি টাকার কম নয়। মিলগুলো বন্ধ হওয়ায় দুই লাখ কর্মসংস্থান হারিয়ে গেছে। মিলগুলো আমরা পুনরায় চালু করবো এটাও খুব কঠিন। সরকারের এখানে কোনো আলোকপাত আমরা দেখতে পাইনি গত ১৫ থেকে ২০ মাসে। এ সময়ে ভারত থেকে সুতা আমদানি বেড়েছে ১৩৭ শতাংশ। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বিটিএমএ সভাপতি বলেন, আমার পাঁচটা ফ্যাক্টরির মধ্যে একটি বন্ধ হয়ে গেছে। এখন আমার নেক্সট প্ল্যান হচ্ছে পরেরটা কীভাবে বন্ধ করবো? কারণ বন্ধ করাও অনেক কঠিন। ব্যাংকের টাকা পয়সা বুঝে দিয়ে তারপর বন্ধ করতে হয়। যদি বিটিএমএ এর সভাপতি হিসেবে আমার ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়, তাহলে আপনাদের একটু আলোকপাত করা উচিত। আর এভাবে যদি ছয় মাস চলতে থাকে দেখা যাবে যে টেক্সটাইলবিহীন একটা সভাপতি বিটিএমএ এর সভাপতি। এটাই আপনারা দেখবেন হয়তো আগামী দিনে। স্পিনিং মিলকে বাঁচাতে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নীতি সহায়তা চেয়ে বিটিএমএ সভাপতি বলেন, ভারত একটি পলিসি করে মাত্র তিন ঘণ্টায়। আমাদের বছর পার হয়ে যায়। আমাদের দাবি অতি শিগগির, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একটা সিদ্ধান্ত আসা উচিত এই সেক্টরকে বাঁচানোর জন্য।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও