• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা বাইক শো-তে সিএফএমওটিও নিয়ে এলো ‘জিহো’ এবং নতুন মোটরসাইকেল লাইনআপ রাজশাহী ব্যাংকার্স ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্টের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন এনআরবিসি ব্যাংক চট্টগ্রাম নগরে এক দিনে তিন স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার যোগ দিলেন এনসিপিতে শরণখোলায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য লম্বা লাইন ছোট হয়ে আসছে শূন্যে নামবে সেশনজট, অনেক কলেজে বন্ধ হতে পারে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স তীব্র গরমে পুড়ছে দেশ, অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: রিজওয়ানা হাসান

প্রভাত রিপোর্ট / ৬৫ বার
আপডেট : সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, রংপুর: পরিবেশ, বন, জলবায়ু, পানি সম্পদ ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার ও চীন সরকার উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে প্রকল্পটির যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় জানুয়ারির মধ্যে এর কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। এ নিয়ে হতাশা ছড়ানো উচিত নয়। সোমবার সকালে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা নদীর ১০ নম্বর টুনুর ঘাট ও তালুক শাহবাজ এলাকার নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত হুয়ান্সি ইয়াও ওয়েন, রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের আঞ্চলিক কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশ যে প্রকল্প প্রস্তাব চীনে পাঠিয়েছে, সেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছে। চীন সরকার প্রকল্পটি পাওয়ার পর তাদের বিশেষজ্ঞরা তা গভীরভাবে যাচাই–বাছাই করছেন। এই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজ শুরু করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, প্রকল্পটি জানুয়ারির মধ্যেই শুরু নাও হতে পারে। কিন্তু সেটি নিয়ে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। তাড়াহুড়া করে নির্দিষ্ট তারিখ বেঁধে কাজ শুরু করলে পরে বড় ধরনের জটিলতা দেখা দিলে তা সংশোধন করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, আগের যে প্রকল্প প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, সেখানে নির্দিষ্ট সময়সীমা ছিল না এবং পূর্ণাঙ্গ যাচাই–বাছাইও হয়নি। এবার স্থানীয় পর্যায়ে গণশুনানি এবং জাতীয় পর্যায়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার পর প্রকল্পটি চীনে পাঠানো হয়েছে। এখন চীনের পক্ষ থেকে আরও বিস্তারিতভাবে যাচাই করা হচ্ছে।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব’। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং দুই দেশ নদীও ভাগ করে নেয়। তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের ভূমিকার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার যেন প্রস্তুতির জন্য অপেক্ষা করতে না হয়, সে জন্য বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে যেতে চায়।
পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা ও চীনা রাষ্ট্রদূত তিস্তা লালমনিরহাট সড়ক সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মানচিত্র পর্যালোচনা করেন। পরে নৌকাযোগে নদীর দুই পাড়ের ভাঙন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং সরেজমিন পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও