• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শ্রুতি হাসানকে ‘মাম্মা’ বলে সম্বোধন পাপারাজ্জির আজ অভিষেক- ঐশ্বরিয়ার বিবাহবার্ষিকী, বিয়ের শাড়ির দাম ছিল ৯০ লাখ টাকা হরমুজে ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইরানের নির্দেশনা তীব্র হচ্ছে গরম : ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রিতে উঠতে পারে তাপমাত্রা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দেশ-বিদেশে সফরে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা আলোচনায় থেকেও মনোনয়ন পেলেন না যেসব নেত্রী ও তারকারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত স্বৈরাচারী সরকার দায়ী : তথ্যমন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী সৌদিতে অবস্থানরত ২২ হাজার রোহিঙ্গা পেলো বাংলাদেশি পাসপোর্ট

বিগত সরকারগুলো কোনো ভ্যাকসিন রেখে যায়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রভাত রিপোর্ট / ২২ বার
আপডেট : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, নারায়ণগঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘হামের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। একটি বাচ্চা মারা যাওয়ার পরপরই আমরা আইসিইউর ব্যবস্থা করেছি। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভেন্টিলেটর দিয়েছি। বিগত সরকারগুলো আমাদের কাছে কোনো ভ্যাকসিন রেখে যায়নি। আমরা দ্রুত গ্যাভি ও ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ করেছি।’সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার জিন্দা পার্কে অবস্থিত লিট অ্যাঞ্জেল সেমিনারি কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকারগুলোর ব্যর্থতার কারণে আমাদের সরবরাহ লাইন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তারা আমাদের হাতে কোনো ভ্যাকসিন রাখেনি। আমরা এই মাসের ৫ তারিখ থেকে চিহ্নিত করা ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু করেছি। আজ থেকে সারা দেশে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে। ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হলে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে হামে আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসবে।’
কবে নাগাদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি দুর্যোগ কত দিনে কমে আসবে, তা বলা মুশকিল। তবে আমরা ভ্যাকসিনেশন করে যাচ্ছি। যখন সব শিশুকে ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ হবে, তখন রোগীর সংখ্যা কমে আসবে। জরুরি অবস্থা ঘোষণার কথা যাঁরা বলেন, তাঁরা আসলে কী বুঝে বলেন, তা বোধগম্য নয়। এখনকার অবস্থা মহামারি বলা যাবে না। ঢাকায় হামের প্রাদুর্ভাব কম। হাসপাতালগুলোতে যে রোগীরা ভর্তি হচ্ছে, তারা অন্যান্য জেলা থেকে আসছে। আমরা ঢাকাতেও টিকার সংখ্যা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছি।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘কিছু বাচ্চা হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এতে আমি অবশ্যই কষ্ট পেয়েছি। ২০২০ সালের পর ভ্যাকসিনের কাজ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেই কাজ পূর্ববর্তী সরকার করেনি। ফলে একটি বিশাল গোষ্ঠীর শিশু অবহেলিত ছিল, যে কারণে হামটা আক্রমণ করেছে। আমরা ভ্যাকসিনেশন শুরু করেছি ৫ তারিখ থেকে। আপনারা সহযোগিতা করবেন।’
এটি মহামারি নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,‘ যে এলাকাগুলোয় হাম আক্রমণ করেছে, সেসব এলাকার ৮৫ ভাগ আমরা ভ্যাকসিনেশনের আওতায় নিয়ে আসছি। দেশের সিটি করপোরেশনগুলোতে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু হয়েছে। যেখানে সমস্যা দেখা দেবে, আমরা সেখানেই ঝাঁপিয়ে পড়ব। তাহলে নিয়ন্ত্রণে আসবে। প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকার সরকারি কোষাগারে কোনো টাকা রেখে যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণতায় ও নির্দেশনায় এ সরকার হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। শুধু ওষুধ দিয়ে মানুষকে ভালো করা যাবে না, নিজেকেও সচেতন হতে হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব কমিশন মেগান বোল্ডিন, ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেনটেটিভ এম্মানিউলি এবরিউকস, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ রাজেশ নরওয়েল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, জেলা প্রশাসক রায়হান কবির, জেলা সিভিল সার্জন মুশিউর রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও