প্রভাত রিপোর্ট: যানজট, গরম আর জ্বালানি সংকটের মধ্যেও স্বস্তির প্রতীক হয়ে উঠেছে মেট্রোরেল। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চলাচলকারী গণপরিবহনটিতে প্রতিদিনই বাড়ছে যাত্রীর চাপ। তবে ভিড়ের মধ্যেও অনেকেই স্বস্তি খুঁজে পাচ্ছেন মেট্রোতে। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ১০, আগারগাঁও, কারওয়ান বাজার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সচিবালয় স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি স্টেশনেই যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। অনেক ক্ষেত্রে ট্রেন আসার আগেই প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল ৭টা থেকে ৯টা, আর বিকেল ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত অনেক ভিড় থাকে। সেই সময় স্টেশনের টিকিট কাউন্টারগুলোতেও ভিড় বাড়ে। আর এখন জ্বালানি তেল সংকটে এই প্রভাব আরও বেড়েছে। ভিড় থাকা সত্ত্বেও গাদাগাদি করে মেট্রোতে উঠেন ফারুক মিয়া নামের একজন। আগারগাঁও স্টেশন থেকে উঠেছেন তিনি। এই যাত্রী বলেন, শাহবাগ যাবো। বাসে যদি যেতে চাই তাহলে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তারপর যানজট ও অনেক গরম তো আছেই। এ কারণে কষ্ট করে মেট্রোতে উঠলাম।
বেসরকারি চাকরিজীবী শফিক আহমেদ বলেন, সকাল ও সন্ধ্যায় মেট্রোতে উঠা অনেক কষ্টের। সন্ধ্যার পর তো একবারেই উঠা যায় না। অনেক লাইন থাকে। আর যাদের ওয়ানটাইম টিকিট নাই তাদের জন্যতো মেট্রোতে উঠা অনেক চ্যালেঞ্জ।
মিরপুর ১০ নম্বরের পর থেকে স্টেশনে বাড়তে থাকে যাত্রীর চাপ। উপচেপড়া ভিড়ে যেখানে যাত্রীদের অভিযোগ থাকার কথা, সেখানে তারা বলছেন উল্টো কথা। অর্থাৎ ভোগান্তির পরিবর্তে মেট্রোযাত্রাকে স্বস্তি ও আরামদায়ক বলছেন তারা।
সচিবালয় স্টেশনে কথা হয় আব্দুল্লাহ আল মমীনের সঙ্গে। তিনি বলেন, তেলের সংকটের কারণে অফিসগামী যাত্রী অনেকেই মেট্রোতে যাতায়াত করছেন। এজন্য যাত্রীর চাপ সকাল-সন্ধ্যায় দেখা যায়। তিনি বলেন, মেট্রোতে ভিড় সব সময়ই থাকে। তবে অফিস টাইমে গাদাগাদি করে উঠতে হয়।