• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন

১৫ বছর নেতৃত্ব দেয়ার পর অ্যাপলের সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন টিম কুক

প্রভাত রিপোর্ট / ২৩ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

প্রভাত অর্থনীতি: অ্যাপলের সিইওর পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন টিম কুক। তার প্রায় ১৫ বছরের দায়িত্বপালনকালে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি-শক্তিতে পরিণত হয়েছে অ্যাপল। পূর্বসূরি স্টিভ জবসের রেখে যাওয়া মজবুত ভিতের ওপরেই এই সাফল্য এনে দিয়েছেন তিনি। সোমবার অ্যাপলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর অ্যাপলের নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেবেন কুক। তার জায়গায় সিইও হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন হার্ডওয়্যার বিশেষজ্ঞ জন টার্নাস।
টার্নার এখন অ্যাপলের হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কুকের উত্তরসূরি হিসেবে প্রথম থেকেই তার নাম আলোচনায় ছিল। কুকের মেয়াদেই বাজারে এসেছিল অ্যাপল ওয়াচ ও এয়ারপডস-এর মতো সফল পণ্য।
এক বিবৃতিতে বিদায়ী সিইও কুক বলেন, ‘অ্যাপলের সিইও হওয়া আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি। এমন একটি অসাধারণ কোম্পানিকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমার ওপরে যে আস্থা রাখা হয়েছিল, তা সত্যিই গর্বের।’
বাজারদরের নিরিখে অ্যাপল এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম দামি কোম্পানি। কুকের মেয়াদে ২০১১ সালের প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে অ্যাপলের বাজারদর ছুঁয়েছে প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে। এই সময়ে কোম্পানিটির বার্ষিক আয় প্রায় চারগুণ বেড়ে ৪০০ বিলিয়ন ডলার পার করেছে। সারা বিশ্বে অ্যাপলের সক্রিয় যন্ত্রপাতির ডিভাইসের সংখ্যা ২৫০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে।
এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে কোম্পানির হাল ধরছেন টার্নাস। বিশেষত এআই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অ্যাপল আগামী দিনে কতটা নতুন দিশা দেখাতে পারবে, তা প্রমাণের চাপ রয়েছে তার ওপরে।
সোমবার এক গবেষণাপত্রে ওয়েডবুশ সিকিয়োরিটিজ-এর বিশ্লেষক ড্যান আইভেস লিখেছেন, ‘কুপার্টিনোয় এক দীর্ঘস্থায়ী লিগ্যাসি রেখে যাচ্ছেন কুক। ফলে দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতেই টার্নাসের ওপরে প্রত্যাশা পূরণের প্রবল চাপ থাকবে, বিশেষত এআইয়ের ক্ষেত্রে।’তিনি আরও লিখেছেন, ‘কুকের পদত্যাগের জল্পনা আগে থেকেই ছিল। তবে হঠাৎ কেন এই সময়ে তিনি সরলেন এবং অ্যাপলের ভবিষ্যৎ কৌশলের ওপরে এর কী প্রভাব পড়বে, বিনিয়োগকারীদের মনে এখন তা নিয়ে উত্তরের চেয়ে প্রশ্নের সংখ্যাই বেশি।’


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও