• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উপকূলবাসীকে রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী ‘শ্রম আইনের ওপর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভর’ এআইনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ ৯ অ্যাপ-সফটওয়্যার চালু জামায়াত নিজেই স্বীকার করে নিয়েছে কারা খুনি-ধর্ষক ছিল: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে আনা হোক: রুমিন ফারহানা দুই অঙ্ক থেকে কমিয়ে সুদহার বিনিয়োগবান্ধব করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী দাম বাড়লো সয়াবিন তেলের ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননায় ভূষিত রুনা লায়লা জুলাই থেকে ফ্রি ড্রেস-ব্যাগ-জুতা পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা ৩৫ বছর পরও উপকূলে আতঙ্ক: ১৯৯১-এর ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষত আজও শুকায়নি

নোয়াখালীতে বেড়েছে পানি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ

প্রভাত রিপোর্ট / ১০৫ বার
আপডেট : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫

মাহফুজুর রহমান, নোয়াখালী : নোয়াখালীতে গত ২৪ ঘন্টায় ২২৩ মিলি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে জেলায় ১ দিনে পানি বেড়েছে ১৯ সেন্টিমিটার। পনি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে মনে করছেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তারা।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে নোয়াখালীর সদর, ক্ম্পোানীগঞ্জ, কবিরহাট, সুবর্ণচরে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। মুষলধারে অব্যাহত বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। অনেকের বসতঘরে পনি ঢুকেছে। এই চারটি উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর, রামপুর ও চর এলাহী ইউনিয়নের ছোট ফেনী নদী ও বামনী নদীর তীরবর্তী এলাকা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। মুছারপুর ইউনিয়নের বেশির ভাগ সড়ক ডুবে গেছে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে অনেক বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এতে লোকজন সীমাহীন ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে।অপরদিকে,জেলা শহর মাইজদীর বিভিন্ন সড়ক পানিতে ঢুবে গেছে। পাড়া-মহল্লায় বাসিন্দারা পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে। নোয়াখালী পৌর শহরের স্টেডিয়াম পাড়া, ডিসি সড়ক, জেলখানা সড়ক এলাকা, হরিনারায়ণপুর, লক্ষ্মীনারায়ণপুর, হাউজিংসহ বেশিরভাগ এলাকার সড়কগুলোতে হাঁটুর কাছাকাছি পানি ওঠে গেছে। এছাড়া এসব এলাকার নিচতলা ও কাঁচা ঘরগুলোতে পানি ডুকে গেছে। ফলে পানিবন্ধী হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। চলতি বর্ষায় শহরের বেশিরভাগ সড়কে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় সড়কগুলো মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
জানা যায়, ৯ জুলাই জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থা কমিটির সভা থেকে আগামী ১০ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন। চলমান দুর্যোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যালয়গুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রয়োজন হলে ব্যবহার করা হবে।
নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো.হালিম সালেহী বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে জেলায় পানি বেড়েছে। টানা বৃষ্টিই পানি বাড়ার মূল কারণ। বৃষ্টি কমে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। বুধবার রাতের বৃষ্টির ওপর পরিস্থিতি নির্ভর করবে।
নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, জলাবদ্ধতা ও বন্যা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। প্রত্যেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা মাঠে কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও