• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মার্চে এলসি নিষ্পত্তি কমেছে ২৬.৬ শতাংশ তেলের দাম বাড়ার পর ফিলিং স্টেশনে লাইনের চাপ কম ১৫ বছর নেতৃত্ব দেয়ার পর অ্যাপলের সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন টিম কুক চার ম্যাচ হাতে রেখেই বুন্দেসলিগার শিরোপা নিশ্চিত বায়ার্ন মিউনিখের তাহলে কি আল নাসরেই যাচ্ছেন মোহাম্মদ সালাহ লরিয়াস বর্ষসেরা পুরস্কার পেলেন ইয়ামাল, আলকারাজ, সাবালেঙ্কা সিটি–আর্সেনালের সামনে নাটকীয়তার পুনরাবৃত্তি হওয়ার সম্ভাবনা ঘাড়ের হাড় ভাঙায় জোনাথন ক্লিন্সম্যানের বিশ্বকাপে অংশ নেয়া অনিশ্চিত ডোপিংয়ের ‘চরম ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ভারত গ্লাসগো মুগাফিয়ান্সের অন্যতম কর্ণধার হলেন ক্রিস গেইল

বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন-বিদ্যুতের যুগে চীন

প্রভাত রিপোর্ট / ১১৩ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

……………………..ফয়সল আবদুল্লাহ………………………

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে—সেটারই এক যুগান্তকারী উদাহরণ দেখাল চীন। উত্তর চীনের ইনার মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে পুরোপুরি বাণিজ্যিক সক্ষমতায় চালু হলো বিশ্বের প্রথম ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন গ্যাস টারবাইন। পুরোপুরি চীনের ‘জুপিটার আই’ নামের টারবাইনটি শুধু প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, বরং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ব্যবহারে তৈরি করেছে বড় মাইলফলক।
গ্যাস টারবাইনটি বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে হাইড্রোজেনকে বিদ্যুতে রূপান্তরের জন্য। নবায়নযোগ্য জ্বালানি যেমন সৌর বা বায়ু বিদ্যুৎ যখন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি উৎপাদিত হয়, তখন সেই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ দিয়ে হাইড্রোজেন তৈরি ও সংরক্ষণ করা যায়। পরে চাহিদা বাড়লে সেই হাইড্রোজেন আবার বিদ্যুতে রূপ নেয়—জুপিটার আই ঠিক সেই কাজটাই করছে।
প্রকল্পটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মিংইয়াং গ্রুপ জানিয়েছে, এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় একক ইউনিটের বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা। একই ক্ষমতার প্রচলিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় বছরে প্রায় দুই লাখ টন কার্বন নিঃসরণ কমাতে সক্ষম এই টারবাইন। যৌথ-চক্র (কম্বাইন্ড সাইকেল) ব্যবস্থায় এটি প্রতি ঘণ্টায় ৪৮ হাজার কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, যা প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার ৫০০ পরিবারের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট।
মিংইয়াং হাইড্রোজেন গ্যাস টারবাইন টেকনোলজির মহাব্যবস্থাপক ওয়াং ইয়ংচি জানালেন, ‘এই প্রযুক্তি নবায়নযোগ্য জ্বালানির অনিয়মিত উৎপাদনের সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে দেবে। একই সঙ্গে এটি কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
এখন চীনের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি আসে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে। ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ সর্বোচ্চ সীমায় আনা এবং ২০৬০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের যে লক্ষ্য চীন নিয়েছে, জুপিটার আইয়ের মতো প্রকল্প সেই যাত্রাকে আরও বাস্তব ও দৃশ্যমান করে তুলছে।

সূত্র: সিএমজি


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও