• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা বাইক শো-তে সিএফএমওটিও নিয়ে এলো ‘জিহো’ এবং নতুন মোটরসাইকেল লাইনআপ রাজশাহী ব্যাংকার্স ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্টের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন এনআরবিসি ব্যাংক চট্টগ্রাম নগরে এক দিনে তিন স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার যোগ দিলেন এনসিপিতে শরণখোলায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য লম্বা লাইন ছোট হয়ে আসছে শূন্যে নামবে সেশনজট, অনেক কলেজে বন্ধ হতে পারে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স তীব্র গরমে পুড়ছে দেশ, অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

সিন্ডিকেট-মজুতদারদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনগত ব্যবস্থার দাবি ক্যাবের

প্রভাত রিপোর্ট / ৯২ বার
আপডেট : শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য– চিনি, এলপিজি ও ভোজ্যতেলের বাজারে সিন্ডিকেট ও মজুতদারদের কর্মকাণ্ড বন্ধে সরকারের কাছে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সংবাদ মাধ্যমে ক্যাবের তথ্য কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজের পাঠানো বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বাজারে চিনি, এলপিজি ও ভোজ্যতেলের দাম অযৌক্তিকভাবে বেড়ে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে হতাশা, উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দেখা গেছে, আমদানি ও মিল পর্যায়ে উৎপাদন ও সরবরাহে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কিছু প্রভাবশালী চক্র চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। একইভাবে এলপিজি, সয়াবিন ও পাম তেলের বাজারেও অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
এক সপ্তাহ আগেও তুলনামূলক স্থিতিশীল চিনির দাম হঠাৎ বেড়ে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাদা চিনি আমদানি কার্যত বন্ধ এবং মিল পর্যায়ে সরবরাহের ঘাটতির অজুহাত দেখিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা রমজান ও অন্যান্য উৎসবকে সামনে রেখে প্রতিবছরের মতো দাম বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে। এলপিজির ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে, যেখানে আমদানিকারক ও পরিবেশকদের কারসাজির আশঙ্কা রয়েছে।
ক্যাব সরকারের কাছে ৭টি দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো: ১. মিল পর্যায়ে চিনি উৎপাদন, মজুত ও সরবরাহের প্রকৃত তথ্য যাচাই করে সিন্ডিকেট ও মজুতদারদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া। ২. চিনি ও ভোজ্যতেলের বাজারে সিন্ডিকেট ও মজুতদারদের কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য কঠোর নজরদারি। ৩. ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারদর, আমদানি ব্যয় ও স্থানীয় বাজারমূল্যের যৌক্তিক সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা। ৪. পাইকারি ও খুচরা বাজারের অযৌক্তিক দাম ব্যবধান কমাতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ জোরদার করা। ৫. এলপিজির দাম সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিদপ্তর ও আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা। ৬. এলপিজির আমদানিকারক ও পরিবেশকদের মজুত, সরবরাহ ও খুচরা বিক্রির তদারকি জোরদার করা। ৭. নিত্যপণ্যের বাজার তদারকি যেন নির্বাচনী বা অন্যান্য অজুহাতে পিছিয়ে না যায়, সে জন্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশনা প্রয়োজন।
ক্যাব সতর্ক করে জানিয়েছে, অবিলম্বে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে চিনি, এলপিজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারের অস্থিরতা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ভোক্তাদের ন্যায্যমূল্য ও স্বস্তি নিশ্চিত করতে সরকার দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করা যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও