• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা বাইক শো-তে সিএফএমওটিও নিয়ে এলো ‘জিহো’ এবং নতুন মোটরসাইকেল লাইনআপ রাজশাহী ব্যাংকার্স ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্টের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন এনআরবিসি ব্যাংক চট্টগ্রাম নগরে এক দিনে তিন স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার যোগ দিলেন এনসিপিতে শরণখোলায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য লম্বা লাইন ছোট হয়ে আসছে শূন্যে নামবে সেশনজট, অনেক কলেজে বন্ধ হতে পারে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স তীব্র গরমে পুড়ছে দেশ, অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ভোলার গ্যাস এলএনজি করে আনতে বিইআরসির গণশুনানি ২৭ জানুয়ারি

প্রভাত রিপোর্ট / ৮৩ বার
আপডেট : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: ভোলার গ্যাস এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আকারে দেশের মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে পরিবহন খরচ নির্ধারণের লক্ষে গণশুনানি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আগামী ২৭ জানুয়ারি এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আগ্রহী ব্যক্তিদের শুনানিতে অংশ নিতে আগামী ২২ জানুয়ারির মধ্যে বিইআরসি অফিসে লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে।
জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ভোলা থেকে এলএনজি আকারে প্রতিদিন ৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আনার পরিকল্পনা রয়েছে। পেট্রোবাংলা এ ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম ও পরিবহন খরচসহ প্রতি ঘনফুটের সমন্বিত মূল্য ৪৭ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাবের যৌক্তিকতা যাচাই করতেই ২৭ জানুয়ারি গণশুনানি ডেকেছে কমিশন।
এর আগে সাবেক সরকারের আমলে ভোলা থেকে এলএনজি করে গ্যাস আনা লাভজনক নয় বলে বিবেচনা করা হয়েছিল। তখন একটি বেসরকারি কোম্পানিকে সীমিত পরিসরে (৫ মিলিয়ন ঘনফুট) সিএনজি আকারে গ্যাস আনার অনুমতি দেওয়া হয়। সেই সময় নির্বাহী আদেশে গ্যাসের দাম ১৭ টাকা এবং পরিবহন খরচ ৩০ টাকা ৫০ পয়সা মিলিয়ে মোট ৪৭ টাকা ৫০ পয়সা দাম চূড়ান্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে পেট্রোবাংলা এলএনজি পরিবহনের ক্ষেত্রেও একই দাম বজায় রাখার প্রস্তাব করেছে।
জ্বালানি বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, ভোলা থেকে এলএনজি পরিবহনের কাজ পেতে ইতোমধ্যে মেঘনা শিপ অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ঢাকা, চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনসহ চারটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব জমা দিয়েছে। অন্যদিকে, তিতাসের আওতাধীন ৩২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান এই গ্যাস নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে, যাদের দৈনিক চাহিদা ১৫ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ঘনফুট। এই কোম্পানিগুলো ১২ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে পারবে বলে জানিয়েছে।
বর্তমানে ভোলার ৩টি গ্যাসক্ষেত্রে ৯টি কূপ খনন করা রয়েছে, যেখান থেকে দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন সম্ভব। কিন্তু স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত চাহিদা না থাকায় গড়ে মাত্র ৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। পেট্রোবাংলা আরও ১৫টি নতুন কূপ খননের কাজ শুরু করেছে, যা শেষ হলে উৎপাদন ক্ষমতা ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিয়নে উন্নীত হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। দেশে চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের মধ্যে ভোলার এই উদ্বৃত্ত গ্যাস কাজে লাগানো গেলে শিল্প খাতে জ্বালানি সংকট কিছুটা লাঘব হবে বলে আশা করছে জ্বালানি বিভাগ।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও