• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা বাইক শো-তে সিএফএমওটিও নিয়ে এলো ‘জিহো’ এবং নতুন মোটরসাইকেল লাইনআপ রাজশাহী ব্যাংকার্স ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্টের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন এনআরবিসি ব্যাংক চট্টগ্রাম নগরে এক দিনে তিন স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার যোগ দিলেন এনসিপিতে শরণখোলায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য লম্বা লাইন ছোট হয়ে আসছে শূন্যে নামবে সেশনজট, অনেক কলেজে বন্ধ হতে পারে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স তীব্র গরমে পুড়ছে দেশ, অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

গভর্নরকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় তিন কর্মকর্তাকে শোকজ

প্রভাত রিপোর্ট / ৫৯ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, “পত্র-পত্রিকায় যাদের নাম এসেছে, তারাই শোকজের তালিকায় রয়েছেন। জবাব সন্তোষজনক না হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সংবাদ সম্মেলন করার এখতিয়ার ছিল কি না এ প্রশ্নে মুখপাত্র বলেন, “যেহেতু বিষয়টি শোকজের আওতায় রয়েছে, তাই এ মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। জবাব পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।”
শোকজপ্রাপ্ত তিন কর্মকর্তা হলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীল দলের সাধারণ সম্পাদক ও এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা, বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের সভাপতি একেএম মাসুম বিল্লাহ এবং একই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা শ্রাবণ।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আকস্মিকভাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা গভর্নরের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। সেখানে দুর্বল ব্যাংকের সঙ্গে এক্সিম ব্যাংক ও সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া এবং ব্যাংক খাতের সাম্প্রতিক নীতিনির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। একইসঙ্গে গভর্নরকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্টাফ রেগুলেশন অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের সংবাদ সম্মেলন, সভা বা গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার আগে গভর্নরের অনুমোদন নিতে হয়। গভর্নর বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়ে আপত্তি থাকলে তা অভ্যন্তরীণ ফোরামে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। সরাসরি সংবাদ সম্মেলন করার বিধান নেই। অথচ, ১৬ ফেব্রুয়ারির সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একই দিনের পর্ষদ সভার উদ্দেশে নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও