প্রভাত রিপোর্ট: ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর সদরঘাটে যাত্রীচাপ কমার কোনও লক্ষণ নেই। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকার পরও শুক্রবার (২০ মার্চ) ঘাটজুড়ে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। ভোর থেকেই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উদ্দেশে লঞ্চ ধরতে যাত্রীদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়, যা দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়তে থাকে। এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে। আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। একইসঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানানো হলেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে নৌপথে যাত্রীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা বলেন, সব লঞ্চ মালিকদের উচিত আবহাওয়া সতর্কবার্তা দেখে লঞ্চ, স্টিমার ছাড়া। নৌপথে আজ যাতায়াত আসলেও ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা ইতোমধ্যে ২৪ ঘণ্টার জন্য ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছি। এ সতর্কতা দেখে সাবধানে ঈদযাত্রা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।