• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রশ্ন তুললেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক পক্ষের নেতারা গত ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সেই আরাম এখন হচ্ছে না: প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান হুইলচেয়ারে করে দীপু মনিকে দেখতে এলেন স্বামী এটা আমি-ডামির সরকার না, কাদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে চান: সংসদে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু পিরোজপুরে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের দাবিতে পাথরঘাটায় মানববন্ধন নাজিরপুরে হীরা -২ এর বাম্পার ফলন; সুপ্রীম সিডের মাঠ দিবস পালন এপ্রিলের ২৫ দিনে এলো ২৫৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড : বাণিজ্যমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলছে : সেতুমন্ত্রী

বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড : বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রভাত রিপোর্ট / ৩৮ বার
আপডেট : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগ্লি। রবিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে তাদের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে আসছে। জিএসপি সুবিধার আওতায় বাংলাদেশ সুইস বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার ভোগ করছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ সুইস পণ্যের উচ্চ গুণগতমান সম্পর্কে অবহিত। সুইস পণ্যের দাম প্রতিযোগিতামূলক হলে তারা বেশি গ্রাহক আকর্ষণ করতে পারবেন। সেজন্য সার্ভিস ওরিয়েন্টেড খাতে বিনিয়োগ বাড়ালে দুই দেশের লাভ হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ওষুধশিল্প, চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, শিপ বিল্ডিং শিল্পের মতো সম্ভাবনাময় খাতে সুইস বিনিয়োগ বৃদ্ধি দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ভিত দেবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের প্রক্রিয়া তিন বছরের জন্য পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সুইজারল্যান্ডের সমর্থন প্রত্যাশা করে। দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বার অব কমার্সের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং যৌথ উদ্যোগ জোরদারের মাধ্যমে বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বাড়ানো সম্ভব।
রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগ্লি বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ অনেক বেশি। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ ঘাটতির পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব। সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও