• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উপকূলবাসীকে রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী ‘শ্রম আইনের ওপর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অনেকাংশে নির্ভর’ এআইনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ ৯ অ্যাপ-সফটওয়্যার চালু জামায়াত নিজেই স্বীকার করে নিয়েছে কারা খুনি-ধর্ষক ছিল: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে আনা হোক: রুমিন ফারহানা দুই অঙ্ক থেকে কমিয়ে সুদহার বিনিয়োগবান্ধব করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী দাম বাড়লো সয়াবিন তেলের ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননায় ভূষিত রুনা লায়লা জুলাই থেকে ফ্রি ড্রেস-ব্যাগ-জুতা পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা ৩৫ বছর পরও উপকূলে আতঙ্ক: ১৯৯১-এর ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষত আজও শুকায়নি

উপকূলবাসীকে রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

প্রভাত রিপোর্ট / ২৯ বার
আপডেট : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, জলবায়ুজনিত ঝুঁকি থেকে রক্ষায় সবুজ বেষ্টনী গঠন, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণসহ সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ভয়াল ২৯ এপ্রিল ১৯৯১ স্মরণে’ আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী। ‘উপকূল বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজক উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসের মতো দুর্যোগের সঙ্গে এ দেশের মানুষের লড়াই দীর্ঘদিনের। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড় দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগগুলোর একটি। ঘূর্ণিঝড়টি কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ উপকূলকে লন্ডভন্ড করে দেয়।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী স্মৃতিচারণা করে বলেন, সে সময় চট্টগ্রাম শহর পর্যন্ত পানি উঠে আসে। সর্বত্র লাশের সারি দেখা যায়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার সে সময়কার পরিস্থিতি দূরদর্শিতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছিল। যদিও তখন সরকারের বয়স ছিল মাত্র কয়েক মাস। বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও জ্বালানিসংকটের মধ্যেও সরকার দেশকে স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছে। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে ধৈর্য ধারণসহ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল, জলাধার খনন–পুনঃখনন করা হবে। খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা গেলে শুষ্ক মৌসুমে সেচসুবিধা বাড়বে, মাছের উৎপাদন বাড়বে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে। এ ছাড়া ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে, যা উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেস্টনী তৈরি করবে।
পানিসম্পদমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে উপকূলীয় অঞ্চলের বড় অংশ পানির নিচে চলে যেতে পারে। তাই এখন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামাল হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। সেমিনার শেষে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ব্যক্তিদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও