• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অপরাধ দমনে রাজধানীতে বসবে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা: ডিএমপি কমিশনার জিয়াউদ্দিনের নাটকে জুটি বাঁধলেন অহনা-তুহিন অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় যে কঠিন কাজটি করলেন দীপিকা ‘ভূত বাংলা’ সাফল্যের মধ্যেই বিদ্যা বালানের সঙ্গে নতুন ছবিতে অক্ষয় ট্রুডোর সঙ্গে কেটির প্রেম, মেনে নিতে পারছেন না সংগীতশিল্পীর সাবেক স্বামী আমি অভিনেতা, কিন্তু রাজনীতিতে অভিনয় করি না: থালাপতি বিজয় শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বেন জয় চৌধুরী আমির খানের নায়িকা হচ্ছেন শ্রদ্ধা কাপুর বাংলাদেশে শিল্পী হওয়া একটা অভিশাপ: রিনা খান ঢাকায় পরীক্ষামূলক ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করবে সরকার : সংসদে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

কারাগারে অধ্যাপক আবুল বারকাত

প্রভাত রিপোর্ট / ১৮৯ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: অর্থনীতিবিদ ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে অ্যাননটেক্স গ্রুপ নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (১১ জুলাই) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত এই আদেশ দেন। এদিন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিল। তবে এই কোর্টের রিমান্ড বিষয়ে শুনানির করার এখতিয়ার না থাকায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরবর্তী সময়ে সিনিয়র আদালতে এই রিমান্ড বিষয়ে শুনানি হবে।
গত ১০ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে ধানমন্ডির ৩ নম্বর সড়ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
এর আগে, অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান এবং অধ্যাপক আবুল বারাকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। গত ২০ ফেব্রুয়ারি মামলাটি দায়ের করেন দুদকের উপপরিচালক মো. নাজমুল হোসাইন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংক থেকে ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৬ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ঋণের অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জাল-জালিয়াতি ও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। গভর্নর থাকাকালে আতিউর রহমান ও আবুল বারাকাত পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে অ্যাননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানকে ওই বিপুল পরিমাণ অর্থ ঋণ হিসেবে পাইয়ে দেন। পরবর্তী সময়ে আতিউর রহমান ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশল ব্যবহার করে সেই অর্থ আত্মসাৎ করেন।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন, সাবেক ডেপুটি গভর্নর-২ আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, সাবেক সহকারী পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, ড. আর এম দেবনাথ, মো. আবু নাসের, সঙ্গীতা আহমেদ ও সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. নিতাই চন্দ্র নাথ, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এজিএম অজয় কুমার ঘোষসহ প্রমুখ।
আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ছিলেন। পাশাপাশি তিনি হিউম্যান ডেভলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানেরও অবৈতনিক প্রধান উপদেষ্টা।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও