• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পিরোজপুরে ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত অপরাধ দমনে রাজধানীতে বসবে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা: ডিএমপি কমিশনার জিয়াউদ্দিনের নাটকে জুটি বাঁধলেন অহনা-তুহিন অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় যে কঠিন কাজটি করলেন দীপিকা ‘ভূত বাংলা’ সাফল্যের মধ্যেই বিদ্যা বালানের সঙ্গে নতুন ছবিতে অক্ষয় ট্রুডোর সঙ্গে কেটির প্রেম, মেনে নিতে পারছেন না সংগীতশিল্পীর সাবেক স্বামী আমি অভিনেতা, কিন্তু রাজনীতিতে অভিনয় করি না: থালাপতি বিজয় শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে লড়বেন জয় চৌধুরী আমির খানের নায়িকা হচ্ছেন শ্রদ্ধা কাপুর বাংলাদেশে শিল্পী হওয়া একটা অভিশাপ: রিনা খান
উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান

আগামীকাল দ্বিতীয় তিস্তা সেতু উদ্বোধন

প্রভাত রিপোর্ট / ১৮৮ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫

নজরুল ইসলাম, গাইবান্ধা: দ্বিতীয় তিস্তা সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামীকাল বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে সেতু উদ্বোধন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
গাইবান্ধার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল চৌধুরী জানান, উদ্বোধনের দিন থেকেই যানবাহন ও সাধারণ মানুষের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত থাকবে। প্রায় ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ ও ৯ দশমিক ৬ মিটার প্রস্থের পিসি গার্ডারবিশিষ্ট এই সেতু দেশের ইতিহাসে এলজিইডির সবচেয়ে বড় প্রকল্প। এর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা। সেতুর উভয় পাশে প্রায় ৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার নদীশাসন এবং সংযোগ সড়কের ৮৬ কিলোমিটার উন্নয়ন করা হয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে এই সেতু। অপর প্রান্তে রয়েছে কুড়িগ্রামের চিলমারী ঘাট। সংযোগ সড়কটি কুড়িগ্রামের চিলমারী, সুন্দরগঞ্জের হরিপুর, বেলকাবাজার, পাঁচপীর, ধর্মপুর, গাইবান্ধার হাট লক্ষ্মীপুর, সাদুল্লাপুরের কামারপাড়া ও সাদুল্লাপুর হয়ে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ধাপেরহাটে পৌঁছেছে। এই সেতুর ফলে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের দূরত্ব প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার কমে আসবে এবং সময় সাশ্রয় হবে ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা। এই সেতু শুধু গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের নয়, বরং উত্তরাঞ্চলের আরও কয়েকটি জেলার সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগও সহজ করবে। সেতু চালু হলে দেশের উত্তরাঞ্চলের পশ্চাৎপদ অঞ্চলগুলোতে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই প্রকল্প অনুমোদন হয় ২০১৪ সালে। ২৫ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ২০১৮ সালের ৫ নভেম্বর দরপত্র আহ্বান করা হয় এবং নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২১ সালে। এটি পরিচালনা করেছে চীনের চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিএসসিইসি)। ২০২১ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও