• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
অস্কারজয়ী স্পিলবার্গ ফের এলিয়েনদের নিয়ে বানাচ্ছেন নতুন সিনেমা। ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও ৪৭ শিশু ভর্তি রণবীরের ‘ধুরন্ধর’ সিনেমাকে আয়ে ছাড়িয়ে গেল ‘ভূত বাংলা’ অভিনেতা-লেখক বিবেক ভাসওয়ানি বললেন ‘শাহরুখ নিজেই বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রি’ আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনে মুক্তি পেলো ‘রাজা শিবাজি’ ছবির ট্রেলার ইরানের বদলে বিশ্বকাপে খেলার প্রস্তাবকে ‘লজ্জাজনক’ মনে করে ইতালি হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে মৌসুম শেষ হয়ে গেছে লামিনে ইয়ামালের পিএসএলে বাকি মৌসুমের জন্য মোস্তাফিজ-নাহিদকে অনাপত্তিপত্র দেয়া হবে না জানালো বিসিবি জাতীয় দল ও ক্লাব মিলিয়ে এ বছর রোনালদো জিততে পারেন অন্তত চারটি ট্রফি পিরোজপুরে ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

বাজারে কাঁচা পেঁপে ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম ৮০ টাকার ঘরে

প্রভাত রিপোর্ট / ২১২ বার
আপডেট : শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: বাজারে একমাত্র কাঁচা পেঁপে ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম ৮০ টাকার ঘরে আটকে আছে। বেশ কিছুদিন ধরে সবজির এই ঊর্ধ্বগতিতে দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। তবে করলা, বেগুন ও টমেটোর মতো সবজিগুলোর দাম আরও বেশি। বিক্রেতারা সবজির দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মৌসুম শেষ হওয়া, সরবরাহ কম এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বৃষ্টির অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।
আজকের বাজারে প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ১০০ টাকা, ঝিঙা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া, প্রতি কেজি ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, কাঁকরোল প্রতি কেজি ৮০ টাকা, বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ২৪০ টাকা, বেগুন (লম্বা) প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কঁচু প্রতি কেজি ৮০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৬০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর ডেমরার সারুরিয়া বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন নানান পেমা-শ্রেনীর মানুষ। তারা বলেন, আজ প্রায় দুই মাস ধরে বাজারে সবজির অতিরিক্ত দাম চলছে। মাছ-মাংসের পাশাপাশি এখন মনে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতারা সবজিও খেতে পারবে না।
কী কারণে সবজির দাম এত বেশি— জানতে চাইলে বিক্রেতারা বারবার শুধু বলেন, বেশিরভাগ সবজিরই এখন মৌসুম শেষ, তাই সরবরাহ কম। কিন্তু দুই মাস ধরেও কী একই রকম অবস্থা চলতে পারে? সবজির মৌসুম তো দুই মাস আগেই শেষ হয়েছে। এখনো কী নতুন সবজি ওঠেনি? এত বেশি দাম হলে তো সাধারণ ক্রেতারা সবজিও কিনতে পারবে না।
এদিকে ডেমরার কোনাপাড়া বাজারের সবজি বিক্রেতা নাঈম খান বলেন, সবজির দাম বাড়ার পর থেকে আমাদের মতো সাধারণ বিক্রেতাদের সবজি বিক্রি অনেক কমে গেছে। দাম বাড়ার কারণে মানুষ এখন কম পরিমাণে সবজি কিনছে। এ কারণে আগে এক ধরনের সবজি যেখানে ১৫-২০ কেজি করে আনতাম, এখন তা আনি মাত্র পাঁচ কেজি করে। অর্থাৎ, মানুষ আগে এক কেজি সবজি কিনলে এখন আধা কেজি কিনছে। সবমিলিয়ে সবজির দাম বাড়ার কারণে আমাদের ব্যবসাও কমে গেছে। তিনি বলেন, বাজারের সব ধরনের সবজি সরবরাহ অনেক কম। বেশিরভাগ সবজির মৌসুম শেষ হওয়ার কারণে মূলত বাজারে সরবরাহ কম হচ্ছে। এর সঙ্গে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত বৃষ্টি হচ্ছে, এতে করে সবজি নষ্টও হচ্ছে। নতুনভাবে সবজি বাজারে উঠতে শুরু করলে সবজির দাম কমে আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও