• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শূন্যে নামবে সেশনজট, অনেক কলেজে বন্ধ হতে পারে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স তীব্র গরমে পুড়ছে দেশ, অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলকে লেলিয়ে দিয়েছে সরকার : গোলাম পরওয়ার ‘টপ অ্যাঙ্গেলে ভিডিও’ বিতর্কে মুখ খুললেন মিম সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে বাংলাদেশকে ২৫০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি সামান্য বৃষ্টিতেই চরম দুর্ভোগ কুড়িগ্রাম- নাগেশ্বরী- ভুরুঙ্গামারী মহাসড়কে বিশ্বকাপ খেলতে ইরানকে নতুন শর্ত যুক্তরাষ্ট্রের কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪টি ইউনিট বন্ধ

একটি কোম্পানির জন্যই কি বিপুল শুল্কের মুখে পড়ল ভারত?

প্রভাত রিপোর্ট / ১১১ বার
আপডেট : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

প্রভাত ডেস্ক: ভারতের কিছু ধনী পরিবার রুশ তেল আমদানির মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। কারণ, রাশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি তেল আমদানি করে ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। তবে শুধুমাত্র মুকেশ আম্বানির জন্য ভারত সরকার বিপুল পরিমাণ শুল্কের বোঝা বহন করছে – তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে বিশ্লেষকদের মধ্যে।
রাশিয়া থেকে তেল আমদানির কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের পণ্যে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছেন। আর রাশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি তেল আমদানি করে এশিয়ার অন্যতম ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানির প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ।
২০২১ সালে রিলায়েন্সের মালিকানাধীন গুজরাটের জামনগর শোধনাগারে মোট অপরিশোধিত তেলের মাত্র ৩ শতাংশ এসেছিল রাশিয়া থেকে। তবে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ২০২৫ সালে তা ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেছেন, ইউক্রেনে হত্যা বন্ধে রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগে নিষেধাজ্ঞায় সায় দেয়ার বদলে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রেতা হয়ে উঠেছে চীন ও ভারত।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ভারতের কিছু ধনী পরিবার রুশ তেল আমদানির মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত জামনগর রিফাইনারি থেকে সারাবিশ্বে রফতানি হয়েছে ৮৫.৯ বিলিয়ন ডলারের পরিশোধিত তেল। এর মধ্যে ৩৬ বিলিয়ন ডলারের তেল গেছে রাশিয়াকে নিষেধাজ্ঞা দেয়া দেশগুলোতে। শুধু ইউরোপীয় ইউনিয়নেই রফতানি হয়েছে প্রায় ১৯.৭ বিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পরিশোধিত তেল।
তবে একটি কোম্পানির লাভের জন্য এই বিপুল পরিমাণ শুল্কের বোঝা বহন করছে ভারত সরকার- এ বিষয়ে দ্বিমত আছে বিশ্লেষকদের মধ্যে। অনেকেরই তাই প্রশ্ন, দেশের মানুষের চেয়ে কি মুকেশ আম্বানির স্বার্থের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে মোদি সরকার? আবার কেউ কেউ ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই শুল্ককে সম্পূর্ণ ‘ধাপ্পাবাজি’ বলে অভিহিত করেছেন। কারণ, চীন রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও