• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জামিন পেলেন সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী বিস্ফোরক মামলায় দেড় মাসের সন্তানের মা নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগ নেত্রী কারাগারে পিরোজপুরে নিখোঁজ প্রবাসীর সন্ধান, সরকারি প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নাজিরপুরে ২৩ বছর পর যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার সংসদে সমাধানের ইস্যু রাজপথে আনা উচিত নয়: এটিএম আজহার শিক্ষার মান নিশ্চিতের সঙ্গে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারে জোর দিতে হবে বিএনপির প্রার্থীরা গণতন্ত্র উত্তরণে কাজ করবে: সেলিমা রহমান পরীক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে: মাহদী আমিন সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালকের ওপর হামলা: র‌্যাব নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার: বাণিজ্যমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহন

ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

প্রভাত রিপোর্ট / ৪৪ বার
আপডেট : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: যুদ্ধময় বিশ্বে শান্তির আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাংলাদেশের প্রধান ঈদ জামাত।
ঈদের দিন শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকায় জাতীয় ঈদগাহে এই নামাজে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেন। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ পড়েন তাঁরা। সাড়ে তিন দশকের বেশি সময় পর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে একসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ঈদের নামাজ আদায় করলেন।
সকাল ৮টা ২০ মিনিটে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর পাঁচ মিনিট পর আসেন রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন। এই ঈদ জামাতে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নামাজ শেষে তাঁরা দুই হাত তুলে মোনাজাত করেন।
ঈদের জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক। নামাজ শেষে খুতবার পর মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি সারাবিশ্বে ফিৎনা–ফ্যাসাদ বন্ধের প্রার্থনা জানানো হয়।
নয় মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর উদযাপন হচ্ছে এমন এক সময়, যখন মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের নানা স্থানে চলছে যুদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বিশ্বের অন্যসব স্থানের পাশাপাশি বাংলাদেশকেও সংকটের ঝুঁকিতে ফেলেছে। তার মধ্যেই মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদ এসেছে আনন্দের বার্তা নিয়ে।
ঈদের দিন ঝড়–বৃষ্টির আভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঈদের সকালে রাজধানীর আকাশ মেঘলা থাকলেও জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত নির্বিঘ্নেই হয়েছে।
ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশ করেন। সকাল ৭টায় দেখা যায়, সারিবদ্ধ হয়ে মানুষ ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করছেন। প্রবেশের সময় আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হচ্ছে। পুরো ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা সিসিটিভির আওতায় রাখা হয়েছে।
জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশের প্রধান তিনটি পয়েন্ট—মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষা ভবন এলাকায় রোড ব্যারিকেড রাখা হয়েছে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ময়দানের চারপাশে পুলিশের টহল ও অবস্থান ছিল। নামাজের নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জাতীয় ঈদগাহ পরিপূর্ণ হয়ে যায়। ময়দানে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় নামাজ আদায় করেন অনেকে।
এবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সব মিলিয়ে মূল প্যান্ডেলের ভেতরে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়। নারীদের জন্যও আলাদা নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা ছিল।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হিসাব অনুযায়ী, আশপাশের সড়ক ও খোলা জায়গা মিলিয়ে এবার প্রায় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারার সুযোগ রাখা হয়।
এ ছাড়া জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭টায় প্রথম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বেলা পৌনে ১১টা পর্যন্ত সেখানে আরো চারটি ঈদ জামাত হবে। রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন এলাকার ঈদগাহ ও পাড়া-মহল্লার জামে মসজিদগুলোতে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও