• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকায় পরীক্ষামূলক ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করবে সরকার : সংসদে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সংসদে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াতের গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল ওয়ারেছ দুর্ধর্ষ অভিযানে ভারতগামী জাহাজ জব্দ করল ইরান, আইআরজিসির ভিডিও প্রকাশ যুদ্ধের প্রভাবে দুর্বল হচ্ছে এশিয়ার মুদ্রা, রেকর্ড সর্বনিম্নে ইন্দোনেশিয়া ইরান যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ছে ছাত্রলীগ ‘জয় বাংলা’ বলে হামলা করত, শিবির করে ‘নারায়ে তাকবির’ বলে ঢাকার লোডশেডিং যেন সংসদ থেকে শুরু হয়: জামায়াত আমির শাহবাগে ডাকসুর দুই নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদল ও শিবিরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ হরমুজে মাইন বসানোর নৌযান দেখলেই গুলির নির্দেশ ট্রাম্পের দেশে ফিরলেন সৌদিতে আটকে পড়া ৩৩ ওমরাহ যাত্রী

বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে ইইউকে অনুরোধ করবে ইউক্রেন

প্রভাত রিপোর্ট / ২৩২ বার
আপডেট : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে সংগৃহীত গম বাংলাদেশ আমদানি করছে—এমন অভিযোগ এনেছে ইউক্রেন। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সতর্ক করার পরও আমদানি বন্ধ না হওয়ায় ইউক্রেন এবার বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানাবে বলে জানিয়েছে দেশটি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের ভারতস্থ রাষ্ট্রদূত ওলেক্সান্ডার পোলিশচুক জানান, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিক চিঠি পাঠানো হলেও সেগুলোর কোনো জবাব আসেনি। ফলে কিয়েভ বিষয়টি ইইউতে উত্থাপন করতে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘রাশিয়ার কিছু কোম্পানি অধিকৃত ইউক্রেনীয় এলাকা থেকে শস্য সংগ্রহ করে তা রাশিয়ার গমের সঙ্গে মিশিয়ে রপ্তানি করছে, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অপরাধ। আমরা এই বিষয়ে আমাদের গোয়েন্দা তথ্য এবং তদন্ত প্রতিবেদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে তুলে ধরবো।’
রয়টার্সের কাছে থাকা নথির ভিত্তিতে বলা হয়, চলতি বছর ইউক্রেনের নয়াদিল্লি দূতাবাস থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। এসব চিঠিতে রাশিয়ার কফকাজ বন্দর থেকে আমদানিকৃত ১.৫ লাখ টনেরও বেশি চুরি করা গম গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়।
২০১৪ সাল থেকে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তৃত কৃষিভূমি রাশিয়া নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর থেকেই গম চুরির অভিযোগ তুলেছে কিয়েভ। ২০২২ সালের পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসনের পর এ ধরনের অভিযোগ আরও জোরালো হয়। তবে মস্কোর দাবি, ওই অঞ্চল এখন রাশিয়ার অংশ এবং তারা নিজেদের উৎপাদিত গমই বৈধভাবে রপ্তানি করছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিষয়ে যোগাযোগ করলেও বাংলাদেশ ও রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “বাংলাদেশ কখনোই চুরি করা গম আমদানি করে না। রাশিয়ার অধিকৃত অঞ্চল থেকে কোনো গম আমদানি করা হয়নি।”


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও