• রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকা বাইক শো-তে সিএফএমওটিও নিয়ে এলো ‘জিহো’ এবং নতুন মোটরসাইকেল লাইনআপ রাজশাহী ব্যাংকার্স ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্টের হ্যাট্রিক চ্যাম্পিয়ন এনআরবিসি ব্যাংক চট্টগ্রাম নগরে এক দিনে তিন স্থানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার যোগ দিলেন এনসিপিতে শরণখোলায় জমি নিয়ে বিরোধে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য লম্বা লাইন ছোট হয়ে আসছে শূন্যে নামবে সেশনজট, অনেক কলেজে বন্ধ হতে পারে স্নাতক-স্নাতকোত্তর কোর্স তীব্র গরমে পুড়ছে দেশ, অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন হামের উচ্চ ঝুঁকিতে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

ঢাকার পানিদূষণ কমাতে ৩৭ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক

প্রভাত রিপোর্ট / ৬৪ বার
আপডেট : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রভাত অর্থনীতি: ঢাকার পানিদূষণ কমাতে ৩৭ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। মূলত স্যানিটেশন ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা উন্নত করা, পানিদূষণ কমানো এবং ঢাকা ও আশপাশের এলাকার নদী ও খাল পুনরুদ্ধার করাই এই টাকা খরচের লক্ষ্য। মঙ্গলবার (ওয়াশিংটন স্থানীয় সময়) বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড সভায় এই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য দেয়া হয়।
বিশ্বব্যাংক বলছে, পানিনিরাপত্তা ও সহনশীলতা কর্মসূচির আওতায় বৃহত্তর ঢাকায় পানিদূষণ কমাতে স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা জোরদার করবে। দেশের আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের প্রায় অর্ধেক এবং জিডিপির এক-তৃতীয়াংশ আসে বৃহত্তর ঢাকা থেকে। এই কর্মসূচির আওতায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিরাপদভাবে স্যানিটেশন সেবা এবং ৫ লাখ মানুষ উন্নত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা পাবে। এ ক্ষেত্রে দূষণ ও সেবাঘাটতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম বলেন, দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং শিল্পায়ন শহরের বর্জ্যপানি ও দূষণ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গেছে। যা জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে।
জ্যঁ পেম বলেন, এ কর্মসূচি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার নদী ও খালের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার এবং দূষণ কমাতে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। বিশ্বব্যাংক বলছে, ঢাকা তীব্র বর্জ্যপানি ও পানিদূষণ সংকটে রয়েছে। মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ বাসিন্দার পাইপের মাধ্যমে পয়োনিষ্কাশন সংযোগ আছে। অপরিশোধিত বর্জ্যপানি ও পয়োনিষ্কাশনের ৮০ শতাংশের বেশি ঢাকার আশপাশের জলাশয়ে নিষ্কাশন হয়।
বিশ্বব্যাংক বলছে, রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার প্রায় ৮০ শতাংশ ঢাকায় অবস্থিত। ৭ হাজারের বেশি কারখানা থেকে প্রতিদিন আনুমানিক ২৪০ কোটি লিটার অপরিশোধিত বর্জ্যপানি আশপাশের জলাশয়ে যায়, যা ত্বকজনিত রোগ, ডায়রিয়া ও স্নায়বিক সমস্যার সৃষ্টি করছে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও