• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজে ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইরানের নির্দেশনা তীব্র হচ্ছে গরম : ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রিতে উঠতে পারে তাপমাত্রা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দেশ-বিদেশে সফরে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা আলোচনায় থেকেও মনোনয়ন পেলেন না যেসব নেত্রী ও তারকারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা জ্বালানি সংকটের জন্য বিগত স্বৈরাচারী সরকার দায়ী : তথ্যমন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসছে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী সৌদিতে অবস্থানরত ২২ হাজার রোহিঙ্গা পেলো বাংলাদেশি পাসপোর্ট বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী আরও সাত জেলায় ই-বেইলবন্ড চালু, বিচারপ্রার্থীরা কী কী সুবিধা পাবেন

যাত্রীদের ভীড় দেখে বোনাসে’র নামে বাড়তি ভাড়া আদায়

প্রভাত রিপোর্ট / ১৮২ বার
আপডেট : বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫

প্রভাত রিপোর্ট: ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই সাভারের বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারে দেখা গেছে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের পাশাপাশি সড়কে যানবাহনের সংখ্যাও বেড়েছে। কিন্তু তাতেও কমছে না আসন সংকট। আর এই সুযোগে অনেক পরিবহনকর্মী ও মালিকদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা।
বুধবার (৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-আরিচা, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের সাভার, নবীনগর, বাইপাইল, শ্রীপুর ও জিরানীবাজার বাস স্ট্যান্ড ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি বাসস্ট্যান্ডে উপচে পড়া যাত্রী ভিড়। যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে গিয়েও দেখা যায় বাসের আসন সংকট। এই সুযোগে অনেক পরিবহনকর্মী যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করছেন দ্বিগুণ ভাড়া।
বাইপাইল বাসস্ট্যান্ড থেকে গাইবান্ধা যাওয়ার জন্য অপেক্ষায় থাকা যাত্রী হেলাল মিয়া বলেন, বাসস্ট্যান্ডে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু কোনো বাসেই আসন পাচ্ছি না। দুই-একটি বাসে আসন পেলেও তারা ভাড়া চাচ্ছে দ্বিগুণ। তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও এখনো বাসে উঠতে পারিনি। যেখানে ভাড়া ৬৫০ টাকা, সেখানে চাচ্ছে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকা। এত টাকা দিয়ে বাসে উঠব কীভাবে?
একই অভিযোগ জামালপুরগামী যাত্রী সেন্টু মিয়ারও। তিনি বলেন, ভীষণ যাত্রী চাপ। তবুও আসন নেই। ৪০০ টাকার ভাড়া চাচ্ছে ৮০০ টাকা। এখন চিন্তায় আছি বাড়ি যাব কীভাবে। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে লাভ নেই, কারণ অনেক যাত্রীই ইচ্ছা করেই বেশি ভাড়া দিয়ে বাসে উঠছেন। আমরা খেটে-খাওয়া মানুষ, বিপদে আছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আল-রিয়াদ পরিবহনের চালক হুসাইন বলেন, আমরা যাত্রী পেলেই নিচ্ছি। আসন যদি শেষ হয়ে যায়, তাহলে তো আর যাত্রী তুলতে পারি না। অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছি না, যাত্রীদের কাছে ঈদের বোনাস চাইছি—অনেকে দিচ্ছে, অনেকে দিচ্ছে না। জোর করে কিছু করছি না।
অন্যদিকে জামালপুর ট্রাভেলসের চালক মানিক মিয়া বলেন, অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ সত্য নয়। আমরা নির্ধারিত ভাড়াই নিচ্ছি। তবে আসন সংকট আছে, যাত্রী বেশি। আগে আসলে আসন পাওয়া যাচ্ছে, পরে এসে তো আর পাবেন না। এর দায় আমাদের না।
সাভার হাইওয়ে থানার পরিদর্শক (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, আজ থেকে সাভারে ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। যাত্রী চাপ বেশি, তাই হয়তো আসন সংকট দেখা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও