• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জামিন পেলেন সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী বিস্ফোরক মামলায় দেড় মাসের সন্তানের মা নিষিদ্ধ যুব মহিলা লীগ নেত্রী কারাগারে পিরোজপুরে নিখোঁজ প্রবাসীর সন্ধান, সরকারি প্রক্রিয়ায় দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নাজিরপুরে ২৩ বছর পর যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার সংসদে সমাধানের ইস্যু রাজপথে আনা উচিত নয়: এটিএম আজহার শিক্ষার মান নিশ্চিতের সঙ্গে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারে জোর দিতে হবে বিএনপির প্রার্থীরা গণতন্ত্র উত্তরণে কাজ করবে: সেলিমা রহমান পরীক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনায় এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে: মাহদী আমিন সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালকের ওপর হামলা: র‌্যাব নতুন শিল্প স্থাপন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলনের নেতা আটক, থানা ঘেরাওয়ের পর মুক্তি

প্রভাত রিপোর্ট / ১৯১ বার
আপডেট : শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫

প্রভাত সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানায় চাঁদাবাজির মামলায় হাবিবুর রহমান নামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) থানায় মামলার বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাকে আটকে রাখা হয়।
খবর পেয়ে শুক্রবার (২০ জুন) সকাল থেকে দলটির নেতাকর্মীরা চান্দগাঁও থানা এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে সকাল ৯টার দিকে তারা থানা ঘেরাও বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় দলটির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন। চাপের মুখে পড়ে পুলিশ মামলার বাদীকে ডাকে। বাদীর আপত্তি না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, হাবিবুর রহমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চান্দগাঁও থানার সেক্রেটারি। থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অবস্থান নেওয়ার কারণে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে।
ইসলামী যুব আন্দোলন চট্টগ্রাম নগরের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান জানান, চাঁদা আদায় বন্ধে গঠিত একটি কমিটিতে হাবিবুর রহমান যুক্ত ছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার বিরুদ্ধে মামলা করে। বৃহস্পতিবার রাতে আটক হওয়া কয়েকজনের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে থানায় গেলে সেখানেই হাবিবুর রহমানকে আটক করা হয়।
চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন বলেন, হাবিবুর রহমান নিজেই থানায় আসেন। আমাদের এক সোর্স জানায়, তিনি ওই মামলার আসামি। এরপর আমরা তাকে আটকে রাখি এবং মামলার বাদীকে খবর দিই। পরে বাদী ১১ জন সাক্ষীসহ থানায় এসে জানান, হাবিবুর মামলার আসামি নন। এরপর আমরা তাকে ছেড়ে দিই।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও