• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
Headline
এবার ডাকসুর সংগ্রহশালায় সাঁটানো হলো গোলাম আযমের বিতর্কিত ছবি ডাকসুর সংগ্রহশালায় রাখা জিন্নাহর ছবি ভাঙচুর মাত্র ৩০০ রুপির ওভেন দিয়ে শুরু, আজ ৭ হাজার ৪০০ কোটির সাম্রাজ্য টেকনাফে সাঁড়াশি অভিযানে মানবপাচারকারীর ২০ আস্তানা গুঁড়িয়ে দিলো বিজিবি-পুলিশ ধর্ম নিয়ে টানাটানির পর আদালতের আদেশে ৮ দিন পর দাফন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তে সীমান্তের অসহায় মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা বিজিবি‘র রাজশাহীর পবায় বিনামূল্যে ৮৩ হাজার গবাদিপশুকে টিকা, স্বস্তিতে প্রান্তিক খামারিরা গাজীপুরের টঙ্গীতে পুলিশকে পাথর ছুড়ে আসামি ছিনিয়ে নিলো মাদককারবারীরা সিলেটে একদিনে হাম উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু ত্রিশালে আদম ব্যবসায়ীর খপ্পরে একাধিক পরিবার নিঃস্ব

গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিত কিচেন ক্যাবিনেট : সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন

Reporter Name / ৭৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালনায় সাত সদস্যের একটি ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ সক্রিয় ছিল বলে দাবি করেছেন সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো এই চক্রটিই নিত এবং তারা প্রতি মঙ্গলবার যমুনায় বৈঠকে বসত। এই প্রভাবশালী চক্রের হস্তক্ষেপ ও মন্ত্রণালয়ের কাজে প্রভাব বিস্তারের কারণে তিনি তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কিন্তু সরকারের অস্বস্তির কথা ভেবে তা আর সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তৌহিদ হোসেন বলেন, কিচেন ক্যাবিনেটের সদস্যদের অভিজ্ঞতা কম থাকলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের মতামতকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হতো। তিনি বলেন, ‘আমি যমুনাতে তাদের একটি বৈঠকে একবার গিয়েছিলাম। পরে জানতে পারি প্রতি মঙ্গলবার তারা বসেন। সিদ্ধান্ত কেউ কেউ নেয় এমন কথাবার্তা আমার কানেও আসত।’ জুলাই গণ অভ্যুত্থানে ‘ডিপ স্টেট’ বা অদৃশ্য কোনো শক্তির সক্রিয়তা নিয়ে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, ডিপ স্টেট পৃথিবীর সব ঘটনার সঙ্গেই যুক্ত থাকে। তারা স্রোতের বিপরীতে যায় না, বরং স্রোতের সঙ্গে থেকে পরিস্থিতি ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালীন অনেক বিষয় থেকেই তাঁকে অন্ধকারে রাখা হতো বলে জানান তিনি। বিশেষ করে, জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এতে সামান্যতমও যুক্ত ছিল না। এর সঙ্গে যুক্ত ছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলে চুক্তিটি সই করার বিষয়টি নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়াই যথাযথ ছিল।’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এটি যে কাজে আসবে না তা তিনি আগে থেকেই জানতেন। তবে প্রথা অনুযায়ী কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হয়েছিল। নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তৌহিদ হোসেনের মূল্যায়ন, ‘আমি মনে করি আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে একেবারে শেষ হয়ে যাবে না। আমাদের দেশের মানুষের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ নয়, তাই আমার অনুমান তারা আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।’ নতুন সরকার ও বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এই অভিজ্ঞ কূটনীতিক। তবে তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারতের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই হবে তারেক রহমানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category