• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
Headline
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কল্যাণ প্যারেড: স্বতন্ত্র পে-স্কেল, ঝুঁকি-ওভারটাইম ভাতা চায় পুলিশ পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ মানুষের আনন্দ ও ব্যক্তিগত আয়োজনের প্রতি সম্মান জানিয়ে , দলীয় কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করলেন তারেক রহমান আরটিভির সম্মাননা পেলেন স্বপ্নজয়ী মায়েরা বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন, এভাবে ভালো সম্পর্ক হবে না : রিজভী ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করবে দক্ষিণ সিটি সাংবাদিককে হয়রানিমূলক গ্রেফতারের প্রতিবাদে মানববন্ধন এআই’র যুগে সন্তানদের নৈতিকভাবে মানুষ করাই বড় চ্যালেঞ্জ : সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন : নজরুল ইসলাম খান ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সব ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

জিন তাড়ানোর কথা বলে দাখিল পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণ, ‘ভণ্ড কবিরাজ’ গ্রেফতার

Reporter Name / ৩৯ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা,বগুড়া : বগুড়ায় চিকিৎসার নামে এক দাখিল পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক ‘ভণ্ড কবিরাজ’ বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাকিম রেজাউল করিম (৪০) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, রেজাউল করিম বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মোফছের আলীর ছেলে। বর্তমানে পরিবার নিয়ে বগুড়া শহরের চকসুত্রাপুর চামড়া গুদাম এলাকায় বসবাস করে। শহরের নামাজগড় এলাকায় ভান্ডারী মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ‘আশ-সিফা দাওয়াখানা’ নামে তার চেম্বার রয়েছে। সেখানে কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে আসছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রী রাজশাহীর একটি কওমি মহিলা মাদ্রাসায় দাখিল শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। বেশ কিছুদিন ধরে মাথাব্যথায় ভুগছিল। বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নিয়েও উন্নতি হয়নি। তার পরিবার পরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে কবিরাজ রেজাউল করিমের সন্ধান পায়। গত ৩ মে সকালে ছাত্রীকে তার বাবা ওই কবিরাজের দাওয়াখানায় নিয়ে আসেন।
কবিরাজ ছাত্রীকে দেখার পর মন্তব্য করে, তাকে জিনে ধরেছে। ঝাড়ফুঁক দিতে হবে। এক পর্যায়ে ছাত্রীকে দাওয়াখানার ভেতরে কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর সবাইকে কক্ষ থেকে বের করে দেয়। পরে চিকিৎসার নামে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। একইদিন বিকালে সাড়ে ১৬ হাজার টাকা নিয়ে আবারও আসতে বলে।
পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে পুনরায় সেখানে গেলে কবিরাজ হাকিম রেজাউল করিম ছাত্রীকে আবারও কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ভুক্তভোগী বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। ৪ মে ভুক্তভোগীর বাবা বগুড়া সদর থানায় কবিরাজ হাকিম রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
এদিকে পুলিশ ছাত্রীকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠায়। এরপর ৫ মে সন্ধ্যায় শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে ভণ্ড কবিরাজ হাকিম রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করা হয়।
বুধবার দুপুরে সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তার শরীর থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। কবিরাজের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর বিশেষজ্ঞের মতামত গ্রহণ করা হবে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া গেছে। ওই কবিরাজ তার দাওয়াখানার ভেতরে পৃথক আধুনিক কক্ষ বানিয়েছে। সেখানে চিকিৎসা ও ঝাড়ফুঁকের নামে অসহায় নারীদের ধর্ষণ করে থাকে। কবিরাজ রেজাউল করিমকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category