• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
Headline
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন পুরোপুরি নেভাতে সময় লাগবে , হতাহত নেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের পর নারায়ণগঞ্জে আইভীর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩ ফুলবাড়িয়ায় স্কুলের ভেতরেই স্বামী-স্ত্রীর হাতাহাতি টানা ৬ দিন পর বান্দরবান-থানচি সড়কে বাস চলাচল স্বাভাবিক গাইবান্ধায় ১১৯ পূজামণ্ডপে অনুদানের চেক বিতরণ নওগাঁর বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীদের ১০৬ উদ্ভাবনী প্রকল্প ফেনীতে ২৫ হাজারের বেশি সিএনজি, ব্যাটারিচালিত যানেও বাড়ছে ভোগান্তি নোয়াখালীতে চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৪ সেনবাগে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে ভাতা উত্তোলন, তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নওগাঁয় ১২০ বস্তা সার পাচারের সময় আটক করলেন স্থানীয়রা

তিতাসে যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা

Reporter Name / ১৩৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

মো. বিল্লাল মোল্লা, কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি: কুমিল্লার তিতাসে আধিপত্য বিস্তার, পূর্ব বিরোধ ও যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম মোল্লা হত্যা মামলার আসামি আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া (৪৫) নামে যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামের তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া উপজেলার মানিককান্দি গ্রামের মৃত ধনু ভূঁইয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের মানিককান্দি গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লার পক্ষের সঙ্গে একই এলাকার সাবেক মেম্বার সাইফুল ইসলামের লোকজনের এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে ২০২২ সালের ৬ ডিসেম্বর আবুল হোসেন মোল্লার ছেলে ও ভিটিকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম মোল্লাকে (৩০) প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। ওই হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া।
সম্প্রতি সে জামিনে কারামুক্ত হয়ে তিন দিন আগে এলাকায় ফেরেন। সোমবার রাতে মানিককান্দি গ্রামের তিন রাস্তার মোড়ে তাকে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে এবং পায়ের রগ কেটে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত অবস্থায় লতিফকে উদ্ধার করে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। পরে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহত ও লতিফের ছোট ভাই মামুন জানান, সোমবার রাতে এশার নামাজ পড়ে মসজিদে থেকে বের হয়ে বাড়ি আসার সময় ফাহিমে নেতৃত্বে সাত আট জন আমার ভাইকে রাস্তায় আটকিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে এবং পরে তারা আমার ভাইয়ের পায়ের রগ কেটে দেয়, তিতাস হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার গুরুতর আহত অবস্থায় লতিফকে পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করে পঙ্গু হাসপাতাল নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করে ডাক্তার আমার ভাইকে।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত লতিফকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরে ঢাকা নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category