• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
Headline
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য, দক্ষতা ও গবেষণা সহযোগিতা বাড়াতে গুরুত্বারোপ গ্রিসের সাইক্লাডেস দ্বীপপুঞ্জের সিফনোস এখন ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে নতুন আকর্ষণ চলতি অর্থবছরেই সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন, লাগবে ছয় হাজার কোটি টাকা: প্রতিমন্ত্রী শিকলবিহীন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই শিকল ভেঙেছি: তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে স্বপ্ন পূরণ হলো শিক্ষার্থী অনুশ্রী রায়ের ঢাকায় প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার সময় চিকিৎসককে হাতেনাতে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তনু হত্যা মামলায় হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ তিনদিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানি মন্ত্রী মৃত্যুদণ্ড বাদ না দেওয়ায় প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য দেয়নি জাতিসংঘ: ট্রাইব্যুনালকে প্রসিকিউটর দেশজুড়ে কেনাকাটায় সেরা অফার, ডিসকাউন্ট নিয়ে এলো দারাজ ৮.৮ গ্রেট ৮ সেল

তিস্তা নদীর ভাঙনে সুন্দরগঞ্জে আতঙ্ক,স্থায়ী সমাধানের দাবি

Reporter Name / ৮১ Time View
Update : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

নজরুল ইসলাম ,গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর কালির খামার খোদার ঘাট, হরিপুর ইউনিয়নের বাংলা বাজার এবং বেলকা ইউনিয়নের বেলকা বাজারের পূর্ব পাশের নদীতীরে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, আবাদি জমি ও গাছপালা। এতে নদীপাড়ের হাজারো মানুষ চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই তিস্তার প্রবল স্রোত ও নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ভাঙন দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার তাদের বসতবাড়ি সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। অনেকেই জমিজমা হারিয়ে নিঃস্ব হওয়ার আশঙ্কায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
উত্তর কালির খামার গ্রামের রহিমা বেগম ও খতিব উদ্দিন জানান, প্রতি বছর নদীভাঙনের আতঙ্কে থাকতে হয়। নদী আমাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি সবকিছু কেড়ে নিচ্ছে। সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও তা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।
বেলকা বাজার এলাকার আলম মিয়া বলেন, নদীভাঙন এখন আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবছর ভাঙনের কারণে মানুষ সর্বস্ব হারাচ্ছে। আমরা আর অস্থায়ী ব্যবস্থা চাই না, চাই কার্যকর ও টেকসই নদীশাসন প্রকল্প।
বাংলা বাজার এলাকার মোর্শেদসহ অনেক ভুক্তভোগী জানান, জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও নদীর তীব্র স্রোতের কাছে তা টিকছে না।
ফলে প্রতিবছর নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। তারা নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে পরিকল্পিত নদীশাসন, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বিস্তীর্ণ জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা দ্রুত জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
নদীপাড়ের মানুষের একটাই দাবি প্রতি বছর ভাঙনের ক্ষত বয়ে বেড়ানোর পরিবর্তে এমন একটি স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হোক, যাতে তিস্তার ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা পায় সুন্দরগঞ্জের জনপদ, কৃষিজমি ও মানুষের জীবন-জীবিকা।
এব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম গতকাল ( ১২জুন শুক্রবার) বিকাল সাড়ে ৫টায় জানান,সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তা নদীর ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের কাজ চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category