• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে তিন বছর ধরে বর্ষায় চারা রোপণ ও বিতরণ করছেন শাহিন গাজী, এবারও দিলেন ৭ শতাধিক রিয়েলমির নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন সি১০০এক্সে ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ও রিভার্স চার্জিং সুবিধা নাজিরপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত তৃণমূল নারীদের প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও সিড মানি দেওয়া হচ্ছে : মন্ত্রী প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়নি : ববি হাজ্জাজ সরকার মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বললেও কাজে দেখি ‘সবার পরে বাংলাদেশ : আনু মুহাম্মদ আমি মাঝেমধ্যেই চলে আসবো, কেউ জানতে পারবেন না: আফরোজা খানম হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলেই মিলবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার উগ্রবাদ-সহিংসতা মোকাবিলায় গবেষণা কাজে লাগানোর আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

নেপাল-তিব্বতে নিহত বেড়ে প্রায় ৮০০, নিখোঁজ ছাড়াল ৩ হাজার

Reporter Name / ১১৬ Time View
Update : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানে নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী জেলা রাসুয়া এবং সীমান্তের অপর পাশে অবস্থিত তিব্বত প্রদেশের গিরং জেলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৯৪ জনে পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে ৭৭৮ জন নেপালের এবং বাকি ১৬ জন তিব্বতের।
সেই সঙ্গে নিখোঁজদের সংখ্যা উন্নীত হয়েছে ৩ হাজার ৪৮ জনে। নিখোঁজদের মধ্যে ২ হাজার ৫০২ জন নেপালের বাকি ৫৪৬ জন তিব্বতের। পানিতে ভেসে গিয়ে কিংবা বানের সঙ্গে আসা কাদা-পাথর-জঞ্জালের তলায় চাপা পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন তারা। নেপালি ও তিব্বতিদের পাশরপাশি ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়াসহ ৩৫টি দেশের প্রায় ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক আছেন নিখোঁজদের তালিকায়।
গত ২৬ আগস্ট বুধবার ভোতিকোশি এবং তার শাখানদী লেহন্দে নদীর একটি ব্যারিয়ার হ্রদ (তুষার,পাথর বা অন্যান্য প্রাকৃতিক বাধার কারণে পানির প্রবাহ আটকে নদীতে যে জলাধার তৈরি হয়) ভেঙে পড়ায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা দেখা দেয় নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী রাসুয়া এবং সীমান্তের অপর পাশে তিব্বতের গিরং জেলায়। লাখ লাখ ঘনমিটার পানি এবং তার সঙ্গে আসা টনকে টন কাদা, পাথর, জঞ্জালে ঢেকে যায় দুই দেশের দু’জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা।
আকস্মিক বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাসুয়া। রাসুয়ার সংলগ্ন নুয়াকোট, ধাদিং এবং চিৎওয়ানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের পর নেপাল ও তিব্বতের উপদ্রুত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা শুরু হয়েছে। তবে বাজে আবহাওয়া এবং চ্যালেঞ্জিং পার্বত্য এলাকায় হওয়ায় বার বার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে উদ্ধারকাজ।
নেপালের এক সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছন, উপদ্রুত এলাকগুলোতে আটকে পড়া লোকদের উদ্ধার, মরদেহের অনুসন্ধান এবং ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে এবং প্রতি ঘণ্টায় নেপালের বিভিন্ন এলকায় পৌছে যাচ্ছে গড়ে ১৫টি ট্রিপ। এ হিসেবে প্রতিদিন গড়ে ৫০০টি উদ্ধারকারী ট্রিপ পরিচালনা করছে নেপালের প্রতিরক্ষা বাহিনী।
এদিকে চীন জানিয়েছে, ভোতেকোশিতে আর একটি ব্যারিয়ার লেক তৈরি হয়েছে এবং যে কোনো সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে। উদ্ধারকর্মীদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে নেপালের সরকার। সূত্র : সিবিএস


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category