• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে তিন বছর ধরে বর্ষায় চারা রোপণ ও বিতরণ করছেন শাহিন গাজী, এবারও দিলেন ৭ শতাধিক রিয়েলমির নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন সি১০০এক্সে ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ও রিভার্স চার্জিং সুবিধা নাজিরপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত তৃণমূল নারীদের প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও সিড মানি দেওয়া হচ্ছে : মন্ত্রী প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়নি : ববি হাজ্জাজ সরকার মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বললেও কাজে দেখি ‘সবার পরে বাংলাদেশ : আনু মুহাম্মদ আমি মাঝেমধ্যেই চলে আসবো, কেউ জানতে পারবেন না: আফরোজা খানম হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলেই মিলবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার উগ্রবাদ-সহিংসতা মোকাবিলায় গবেষণা কাজে লাগানোর আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা এবং মাছ-মাংসে স্বস্তি নেই

Reporter Name / ৩৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
ছবি এআই দিয়ে তৈরি করা

প্রভাত রিপোর্ট: সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে সেই স্বস্তির ছাপ নেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০-২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা এবং চারটি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ডিম বিক্রেতা মাসুদ বলেন, ‘এখন ফার্মের মুরগির ডিম ডজন ১৫০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।’
মাছের বাজারেও মোটামুটি আগের মতোই রয়েছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাস ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মিগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং পোয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গুনতে হচ্ছে হাজার টাকার বেশি।
মাছ বিক্রেতা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, ‘মাছের দাম সব সময় এক থাকে না। সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কম থাকে, আর বাজারে মাছ কম এলে দাম বাড়ে। একইভাবে ক্রেতা বেশি হলে দাম বাড়ে। তাই সকাল আর বিকেলে অনেক সময় একই মাছের দামও এক থাকে না।’
মাছ কিনতে আসা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘মাছের দাম মোটামুটি আগের মতোই আছে। বাজারে কিছু মাছ তুলনামূলক কম দামে পাওয়া গেলেও ভালো মানের মাছ কিনতে গেলে দাম অনেক বেশি। পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী, মাছ কিনতে গিয়ে বাজেটের মধ্যে রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’
রাজধানীর কাঁচাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সরবরাহ বাড়ায় পটল, ঢেঁড়শ, কাকরোল, ঝিঙে, জালি ও পেঁপেসহ কয়েক ধরনের সবজির দাম কমেছে। তবে বেগুন, টমেটো ও শিমের চড়া দামে সেই স্বস্তি অনেকটাই ম্লান। সবচেয়ে কম দামে পেঁপে পাওয়া গেলেও বর্ষা মৌসুমে বাজারে আসা শীতের আগাম শিম বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা কেজি দরে। এদিকে মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বাজারে পেঁপে সবচেয়ে কম দামে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পটল, ঢেঁড়শ, কাকরোল, ঝিঙে ও জালি ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা এবং লাউ ও ধুন্দল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ শসা পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি, কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। অন্যদিকে, বেগুন ও টমেটোর দাম এখনো বেশ চড়া। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দামের সবজির তালিকায় রয়েছে শিম। বাজারভেদে প্রতি কেজি শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বর্তমানে সরবরাহ বাড়ায় কাঁচা মরিচ মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমায় স্বস্তি প্রকাশ করেন পিন্টু মিয়া। তিনি বলেন, ‘আগের তুলনায় বেশ কিছু সবজির দাম এখন নাগালের মধ্যে এসেছে। ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে কয়েক ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে। এতে বাজারের খরচ কিছুটা কমেছে। তবে এখনো কিছু সবজির দাম চড়া।’
বাজার করতে আসা জুয়েল শেখ বলেন, ‘কিছু সবজির দাম কমেছে ঠিকই, কিন্তু সব মিলিয়ে বাজারের ব্যয় খুব একটা কমেনি। পেঁপে, পটল, ঢেঁড়শ ও ঝিঙে তুলনামূলক সস্তা। তবে বেগুন ও টমেটোর দামও কমলে সাধারণ ক্রেতারা আরও স্বস্তি পেতো।’
বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়ার কারণে কয়েক ধরনের সবজির দাম কমেছে। তবে বেগুন ও টমেটোর সরবরাহ কম থাকায় এ দুটির দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী।
রায়সাহেব বাজারের সবজি বিক্রেতা নাসির হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে পটল, ঢেঁড়শ, ঝিঙে ও জালির সরবরাহ ভালো থাকায় দাম কম। এসব সবজি ৬০ টাকার মধ্যেই বিক্রি করছি। পেঁপে ৩০ টাকা কেজি। কিন্তু বেগুন ও টমেটো পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’
নারিন্দা কাঁচা বাজারের বিক্রেতা নুরুল ইসলাম বলেন, ‘বাজারে সবজির সরবরাহ পরিস্থিতি এখন মোটামুটি ভালো। যেসব সবজি বেশি আসছে, সেগুলোর দাম কমেছে। কিন্তু বেগুন ও টমেটোর সরবরাহ কম থাকায় দাম কমানোর সুযোগ নেই।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category