• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
পিরোজপুরে তিন বছর ধরে বর্ষায় চারা রোপণ ও বিতরণ করছেন শাহিন গাজী, এবারও দিলেন ৭ শতাধিক রিয়েলমির নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন সি১০০এক্সে ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ও রিভার্স চার্জিং সুবিধা নাজিরপুরে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত তৃণমূল নারীদের প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান ও সিড মানি দেওয়া হচ্ছে : মন্ত্রী প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়নি : ববি হাজ্জাজ সরকার মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বললেও কাজে দেখি ‘সবার পরে বাংলাদেশ : আনু মুহাম্মদ আমি মাঝেমধ্যেই চলে আসবো, কেউ জানতে পারবেন না: আফরোজা খানম হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলেই মিলবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার উগ্রবাদ-সহিংসতা মোকাবিলায় গবেষণা কাজে লাগানোর আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালু ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

ভিনির প্রতি ১৬ ফাউলে একটি হলুদ কার্ড, ইয়ামালের প্রতি ৩ ফাউলে একটি

Reporter Name / ১৩৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

প্রভাত স্পোর্টস: লা লিগায় অনেক বিষয়েই অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। গোল করা থেকে গোল বানানো, ড্রিবলিং, দর্শকের করতালি থেকে দুয়ো। আর কিছু কি বাদ পড়ল? হ্যাঁ, ফাউল। স্পেনের শীর্ষ লিগে ফাউলের শিকার হতে হতে ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারের গা সয়ে যাওয়ার কথা। উইঙ্গার বলেই হয়তো বেশি বেশি ফাউলের শিকার হতে হয়। বাঁ প্রান্তে তাঁর ডিফেন্স চেরা দৌড়ের সঙ্গে চোখধাঁধানো ড্রিবলিংয়ের জবাব না থাকলে এ ছাড়া ডিফেন্ডারদের আর উপায় কী!
উপায় যেহেতু নেই, তাই ভিনিও প্রতিনিয়ত ফাউলের শিকার হতে হতে এ তালিকায় উঠেছেন শীর্ষে। অবশ্য লা লিগার সব ইতিহাস মিলিয়ে নয়। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’ হিসাবটি করেছে ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে। এই মৌসুম থেকে আর কোনো খেলোয়াড় লা লিগায় ভিনির মতো এত বেশি ফাউলের শিকার হননি। রিয়ালের হয়ে ভিনির লা লিগায় অভিষেক ২০১৮-১৯ মৌসুমে। সে মৌসুমে রিয়ালের ‘বি’ দলের হয়ে স্প্যানিশ ফুটবলের তৃতীয় স্তরের লিগে খেলেন ৫ ম্যাচ। আর লা লিগায় খেলেছিলেন ১৮ ম্যাচ। অর্থাৎ সে মৌসুমে রিয়ালের মূল দলের হয়ে লা লিগায় পুরো মনোনিবেশ করতে পারেননি, যেটা পেরেছেন পরের মৌসুম থেকে। সে জন্য সম্ভবত হিসাবটা করা হয়েছে ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে।
ভিনি ২০১৯-২০ মৌসুমে লা লিগায় ২৯ ম্যাচ খেলেন। এরপর ২০২৫-২৬ মৌসুম পর্যন্ত প্রতি লিগেই ন্যূনতম ৩০টি করে ম্যাচ খেলেছেন। ব্যতিক্রম শুধু ২০২৩-২৪ মৌসুম—সেবার খেলেন ২৬ ম্যাচ। সব মিলিয়ে ২০১৯-২০ থেকে গত মৌসুম পর্যন্ত লিগে ২২৪ ম্যাচ খেলেছেন ভিনি। এবারের মৌসুমে রিয়ালের দুই ম্যাচ যোগ করে এ ২২৬ ম্যাচে ৪৯১ বার ফাউলের শিকার হয়েছেন ভিনি। ফাউলের শিকার হওয়ার তালিকায় তাঁর পরে ভিয়ারিয়াল মিডফিল্ডার দানি পেরেয়ো। ব্রাজিলিয়ান তারকার চেয়ে এ সময়ে ৪৩ ম্যাচ কম খেলেছেন পেরেয়ো।
এ সময়ের মধ্যে লা লিগায় সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হওয়ার তালিকায় ভিনি শীর্ষে উঠেছিলেন আগেই। এবারের ২ ম্যাচে ১০ বার ফাউলের শিকার হওয়ার পর পরিসংখ্যানটি হালনাগাদ করা হয়েছে। এস্পানিওলের বিপক্ষে রিয়ালের প্রথম ম্যাচেই ৮ বার ফাউলের শিকার হন, বুধবার রাতে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে দুবার। এই পরিসংখ্যান বলে দেয় রিয়ালে ভিনি যত গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন, ততই প্রতিপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। বিশেষ করে যখন বাঁ প্রান্তে বল পায়ে ড্রিবল করে এগিয়ে যান।
ভিনিকে ফাউল করা খেলোয়াড়দের কার্ড দেখা নিয়েও একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে ‘এএস’। সংবাদমাধ্যমটির দাবি অনুযায়ী, লা লিগায় ভিনি গড়ে ১৬ বার ফাউলের শিকার হওয়ার পর একবার করে হলুদ কার্ড দেখেন তাঁকে ফাউল করা প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়। বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামালের অবশ্য ভিন্ন পরিস্থিতি। ইয়ামাল গড়ে তিনবার করে ফাউলের শিকার হওয়ার পর একবার হলুদ কার্ড দেখেন তাঁকে ফাউল করা প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়।
লাল কার্ডের ক্ষেত্রেও ভিনি ও ইয়ামালের এই তুলনামূলক হিসাব অভিন্ন নয়। ভিনি গড়ে ৬৮টি ফাউলের শিকার হওয়ার পর লাল কার্ড দেখেন তাঁকে ফাউল করা প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়। ইয়ামালের ক্ষেত্রে সেটি ১১ ফাউল। গড়ে ১১ বার ফাউলের শিকার হওয়ার লাল কার্ড দেখেন তাঁকে ফাউল করা প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়।
চ্যাম্পিয়নস লিগেও তাকানো যায়। ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে ইউরোপের শীর্ষ এ ক্লাব প্রতিযোগিতায় ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারই সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হয়েছেন। তাঁকে মোট ১৩১ বার ফাউল করা হয়েছে। তবে এই প্রতিযোগিতায় ভিনি এবং ইয়ামালের ক্ষেত্রে প্রতি তিনটি ফাউলের বিপরীতে প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় একটি করে হলুদ কার্ড দেখেন, যা ঘরোয়া লিগের সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category