• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
Headline
টঙ্গীতে ওষুধ কারখানার আগুন পুরোপুরি নেভাতে সময় লাগবে , হতাহত নেই ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের পর নারায়ণগঞ্জে আইভীর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩ ফুলবাড়িয়ায় স্কুলের ভেতরেই স্বামী-স্ত্রীর হাতাহাতি টানা ৬ দিন পর বান্দরবান-থানচি সড়কে বাস চলাচল স্বাভাবিক গাইবান্ধায় ১১৯ পূজামণ্ডপে অনুদানের চেক বিতরণ নওগাঁর বিজ্ঞান মেলায় শিক্ষার্থীদের ১০৬ উদ্ভাবনী প্রকল্প ফেনীতে ২৫ হাজারের বেশি সিএনজি, ব্যাটারিচালিত যানেও বাড়ছে ভোগান্তি নোয়াখালীতে চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৪ সেনবাগে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে ভাতা উত্তোলন, তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নওগাঁয় ১২০ বস্তা সার পাচারের সময় আটক করলেন স্থানীয়রা

শিক্ষার্থীদের গলায় জুতার মালা পরানো সেই প্রধান শিক্ষিকা বরখাস্ত

Reporter Name / ১৩০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা,বগুড়া: বগুড়া সদর উপজেলার বুজর্গধামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর গলায় জুতার মালা পরিয়ে ও পিঠে চোর লিখে ঘোরানোর ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা গোল সাহানারাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় থেকে বুধবার (৬ মে) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।
রাজশাহী বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক নূর আখতার জান্নাতুল ফেরদৌসের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এভাবে প্রকাশ্যে অপমান করার ঘটনায় শিক্ষা বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। জনস্বার্থে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী জারির দিন থেকেই এ বরখাস্ত আদেশ কার্যকর হবে।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৮ এপ্রিল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের একটি গাছ থেকে দুটি আম পেড়ে খেয়েছিল চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির তিন শিক্ষার্থী। এই অপরাধে পরদিন ২৯ এপ্রিল প্রধান শিক্ষিকা গোল সাহানারা ওই তিন শিশুকে ডেকে নিয়ে বেত্রাঘাত করেন। এরপর তাদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে এবং পিঠে ‘আমি আম চোর’ লেখা স্টিকার লাগিয়ে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ ও বারান্দায় ঘোরানো হয়।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনায় ওই স্কুলের একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সামান্য কারণে শিশুদের এভাবে অপমান করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ফল গাছ তো শিক্ষার্থীদের জন্যই। তাদের শাসনের বদলে এভাবে লজ্জিত করা অন্যায়।
ঘটনাটি গণমাধ্যমে আসার পর গত ৩ মে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন বলেন, এটি প্রাথমিক ব্যবস্থা। বিধি অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category