• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
Headline
বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তে শীর্ষে পিরোজপুর, রোগী ২ হাজার ৩৬ কচুয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এর শাখা প্রধানদের ব্যবসায়িক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী, কোনো প্রতিনিধিও যাবেন না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায় পাথরঘাটায় ট্রলার থেকে সাগরে পড়ে নিখোঁজ জেলে জীবিত উদ্ধার মেজর লিগ সকারের ম্যাচে মেসি–লেভানডফস্কির উত্তাপ সিপিএলে নেমেই মিরাজের অভিষেকটা হলো স্বপ্নের মতো ইউএস ওপেনে ইয়েলেনা রিবাকিনার দরজায় কড়া নাড়ছে ইতিহাস ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ততায় এখনই হচ্ছে না এইচপির ক্যাম্প

শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি এলাকাবাসীসহ গোটা দেশের মানুষের

Reporter Name / ৭৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবি এলাকাবাসীসহ গোটা দেশের মানুষের। নির্মম ওই ঘটনার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সবাই। এলাকাবাসী বলছেন, রামিসা আমাদের হৃদয়ে আজীবন থেকে যাবে। যতক্ষণ অপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর না হচ্ছে আমরা বিচার চেয়ে যাবো। শুক্রবার (২২ মে) বেলা ১১টার পর কালো মেঘে আকাশ ঢেকে যায়, শুরু হয় বৃষ্টি। পল্লবী-পূরবী রোডে রামিসার বাসার সামনে তখন মানুষের জটলা। পাড়া-প্রতিবেশিরা ঘটনার চার দিন পরও বাসাটিকে ঘিরে ভীড় করছেন। বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে রামিসা হত্যার বিচার ও ঘাতকের ফাঁসি চাচ্ছিলেন তারা।
এ সময় কথা বলছিলেন নূরজাহান নামে এক নারী। তিনি বলেন, সকালে আমরা দেখতাম রামিসা স্কুল ড্রেস পরে বের হয়ে স্কুলে যেতো। আমার সঙ্গে তার প্রায়ই দেখা হতো। আমি তাকে আদরও করতাম। কিন্তু কী হতে কী হয়ে গেলো। এমন ঘটনা তার সঙ্গে ঘটে গেলো সবার হৃদয়কে নাড়িয়ে দিলো। কী জঘণ্য মানসিকতা হলে এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। অপরাধীর প্রকাশ্যেই ফাঁসি হতে হবে।
পাশের রুপনগরের আরিফাবাদ এলাকা থেকে এসেছন আরেক নারী সুমনা। অভিযুক্তে ফাঁসি চেয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনার পর আমি ঘুমাতে পারছি না। আমারও চার বছরের মেয়ে আছে। আমি সময় পেলেই এই বাসার সামনে চলে আসছি।
শেওড়াপাড়া এলাকা থেকে আসা আল আমিন বলেন, সারা দেশের মানুষ হতবাক। মানুষ এত নিষ্ঠুর অমানবিক হয় কীকরে। আমরা এর প্রকাশ্য ফাঁসি চাই। যাতে এ ধরনের কাজ কেউ কখনও করতে সাহস না পায়। তিনি বলেন, বিচারহীনতার কারণে আজ এমন ঘটনা বার বার ঘটছে। দু-এক দিন এটি নিয়ে কথা উঠবে। এরপর সবাই যখন চুপ তখন আসামির জামিন হয়ে যায়।
প্রতিবেশি চুমকি বলেন, আমরা সবসময়ই দেখতাম রামিসাকে। সুন্দর করে কথা বলতো, খেলা করতো। সুন্দর করে সাজুগুজু করতো। দেখতেই ভালো লাগতো। আমরা অনেক আদর করতাম। তিনি বলেন, মেয়েটা আমাদের হৃদয়জুড়ে থাকবে। আর ঘাতকের ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের দাবি চলতে থাকবে।
জানা গেছে, শুক্রবার সকালে মেয়ের কুলখানির জন্য ‍মন্সিগঞ্জে গেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লাসহ পুরো পরিবার। যাওয়ার আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বড় ভাই হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমার এখানে এসেছিলেন। আমাকে বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে বেলা ১১টার দিকে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পাশের বাসার সোহেল রানা। এ ঘটনায় প্রথমে বাসা থেকে পালিয়ে গেলেও পুলিশ তাকে স্ত্রীসহ গ্রেফতার। আর এ ঘটনা সারা দেশের মানুষকে নাড়িয়ে তোলে। প্রতিবাদে ফুঁসে উঠে সাধারণ মানুষ। শুক্রবার পল্লবী, বায়তুল মোকররমসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও অপরাধীর ফাঁসির দাবিতে সভা-সমাবেশ হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category