• বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
Headline
গাজীপুরে ৫ হত্যাকাণ্ড: ফোরকান পদ্মায় ঝাঁপ দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছে : পুলিশ গবাদিপশু প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে আছে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী উত্তরা ও তুরাগে ‘অনলাইন জুয়া চক্রের’ ৬ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৯: ডিবি ৩৪ লাখ জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার ৩, ঈদের বাজারে ছড়ানোর পরিকল্পনা ছিল: পুলিশ সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের অধিকাংশ শ্রেণি উপযোগী নয়: ববি হাজ্জাজ দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে স্বনির্ভর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে– প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রহমান সৌরবিদ্যুতে ৫ বছরের ‘কর অবকাশ’ দেয়ার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী আইসিডিডিআর,বির গবেষণা : দিনে ৫ ঘণ্টা শিশুদের ‘স্ক্রিন আসক্তি’ বাড়ছে স্থূলতা ও মানসিক ঝুঁকি

শি-ট্রাম্পের ২ ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠকে গুরুত্ব পেল স্পর্শকাতর বিষয়গুলো

Reporter Name / ৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের রাষ্ট্রপ্রধান শি জিনপিং বেইজিংয়ে তাদের বহুল আলোচিত দুই ঘণ্টাব্যাপী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষ করেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্থানীয় সময় দুপুরে এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে মূলত দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য সংঘাত, প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা, তাইওয়ান সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে। যদিও এই সফর ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল ছিল, তবে বড় ধরনের কোনো নাটকীয় সাফল্যের খবর এখনও পাওয়া যায়নি। বৈঠক শুরুর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্মানে একটি বর্ণাঢ্য অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন শি জিনপিং।
বৈঠকের একপর্যায়ে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি সতর্কবার্তা দিয়েছেন শি জিনপিং। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শি জিনপিং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া মতভেদ দুই পরাশক্তিকে সরাসরি সংঘর্ষ বা যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর মাসে ট্রাম্প প্রশাসন তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল অস্ত্র সহায়তার অনুমোদন দিয়েছিল, যদিও সেই অস্ত্রের সরবরাহ এখনও শুরু হয়নি। বেইজিং এই পদক্ষেপকে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে দেখে আসছে।
অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সফরে মূলত বাণিজ্যিক সম্পর্কোন্নয়নের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। তিনি আশা করছেন, চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি পরিমাণে কৃষি পণ্য এবং যাত্রীবাহী বিমান ক্রয়ের বিষয়ে একমত হবে। গত বছর ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ফলে যে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তা নিরসনে দুই দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ বোর্ড গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি এবং ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ট্রাম্পের অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তায় যে টান পড়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে এই চীন সফর তার জন্য রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরান যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিও এই দুই নেতার আলোচনায় গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে। দীর্ঘ দুই মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় উন্মুক্ত করতে ট্রাম্প চীনের প্রভাব খাটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সম্মেলনের আগে তিনি তার সেই কড়া সুর কিছুটা নরম করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরান যাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্তে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়, সে জন্য বেইজিং তেহরানকে কোনো চাপ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট ঘোষণা আসেনি। দুই দেশের এই শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনা মূলত সম্পর্কের টানাপড়েন কমিয়ে কিছুটা স্থিতিশীলতা আনার প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: এপি নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category