• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

অদৃশ্য রপ্তানির সম্ভাবনায় তৃতীয় স্তম্ভ পর্যটন

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
ছবি সংগৃহীত


………মো. মামুন হাসান………

একটি দেশের অর্থনীতি অনেকটা তিন পায়ের টুলের মতো। দুটি পায়ের ওপর ভর করে দাঁড়ানো যায়, কিন্তু একটু ধাক্কা লাগলেই টলে ওঠে। বাংলাদেশের বহির্খাত দীর্ঘদিন দুটি পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। একটি তৈরি পোশাকশিল্প, অন্যটি প্রবাসী আয়। দুটিই আমাদের গর্বের, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, জ্বালানি ও জাহাজভাড়ার চাপ, পশ্চিমা ক্রেতাদের সতর্ক ক্রয়াদেশ আর শ্রমবাজারের অনিশ্চয়তা আজ দুটিকেই একসঙ্গে পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। তাই প্রশ্নটি এখন আর তাত্ত্বিক নয়: যে খাত আমাদের নদী, সমুদ্র, বন আর আতিথেয়তাকে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রায় রূপ দিতে পারে, সেই পর্যটন কি হতে পারে অর্থনীতির তৃতীয় পা?
পর্যটনকে বলা হয় অদৃশ্য রপ্তানি, আর এর কারণ চমৎকার। পোশাক রপ্তানিতে পণ্য সাগর পাড়ি দিয়ে ক্রেতার কাছে যায়, পর্যটনে ক্রেতা নিজেই উড়ে আসেন পণ্যের কাছে। বন্দরজট, জাহাজভাড়া বা সামুদ্রিক পথের ঝুঁকি এখানে নেই। সেবার উৎপাদন দেশের ভেতরে, মূল্য পরিশোধ বিদেশি মুদ্রায়। একজন পর্যটকের হোটেল ভাড়া, খাবার, নৌযান, গাইড, প্রবেশ টিকিট আর হাতে বোনা নকশিকাঁথার দাম মিলিয়ে যে অর্থ আসে, তার বড় অংশ দেশের ভেতরেই ঘুরতে থাকে।
বিশ্বের হিসাব এই ভাবনার পক্ষে। ডব্লিউটিটিসির তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে ভ্রমণ ও পর্যটন খাত বিশ্ব অর্থনীতিতে রেকর্ড ১১ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ করেছে, যা বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। খাতটির প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১ শতাংশ, অথচ বিশ্ব অর্থনীতি বেড়েছে ২ দশমিক ৮ শতাংশ হারে। এই খাত জুগিয়েছে ৩৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান। ইউএন ট্যুরিজমের হিসাবে আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১৫২ কোটি, তাঁদের ব্যয় ১ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলার, আর পরিবহন যোগ করলে পর্যটনসংশ্লিষ্ট রপ্তানি আয় ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার। এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১ শতাংশ, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। অর্থাৎ বাজারটি শুধু বিশাল নয়, আমাদের প্রতিবেশেই সবচেয়ে দ্রুত বাড়ছে। স্পেনে পর্যটন জিডিপির প্রায় ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ। মালদ্বীপের মতো দ্বীপরাষ্ট্রের অর্থনীতি তো প্রায় পুরোটাই এই খাতের ওপর দাঁড়ানো।
এই মানচিত্রে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো বিনয়ী। সরকারি ভাষ্যে জিডিপিতে পর্যটনের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ, লক্ষ্য ৬ থেকে ৭ শতাংশে নেওয়া। ডব্লিউটিটিসির হিসাবে ২০২৩ সালে খাতটির অর্থনৈতিক অবদান ছিল প্রায় ৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, কর্মসংস্থান প্রায় ২১ লাখ ৪০ হাজার, যা মোট কর্মসংস্থানের ৩ শতাংশ। অবদান ৬ শতাংশে পৌঁছালে মোটা দাগে বছরে আরও ৯ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কার্যক্রম তৈরি হতে পারে। এটি অবশ্য সরল প্রক্ষেপণ, পূর্বাভাস নয়।
বৈদেশিক মুদ্রার দিকটি আরও চোখে পড়ার মতো। বিশ্বব্যাংকের তথ্যে ২০১৯ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক পর্যটন আয় ছিল মাত্র ৩৯১ মিলিয়ন ডলার, ২০২০ সালে তা নেমে আসে ২১৮ মিলিয়নে। অন্যদিকে ২০২৫ সালে প্রবাসী আয় এসেছে রেকর্ড ৩২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। পর্যটনের প্রত্যক্ষ বৈদেশিক আয় তাই প্রবাসী আয়ের ২ শতাংশেরও কম। এই ব্যবধানই সম্ভাবনার পরিমাপ। একটি সহজ অঙ্ক ধরা যাক। বছরে যদি আরও ১০ লাখ বিদেশি পর্যটক এসে গড়ে হাজার ডলার খরচ করেন, তবে আসে অতিরিক্ত ১ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৯ সালের মোট পর্যটন আয়ের আড়াই গুণেরও বেশি।
সংকটের দিনে এই বৈচিত্র্যের মূল্য আরও স্পষ্ট হয়। রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এখনো পোশাকনির্ভর, অথচ চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ। মার্চে মোট রপ্তানি আয় আগের বছরের মার্চের চেয়ে কমেছে ১৮ দশমিক ০৭ শতাংশ। বিজিএমইএর হিসাবে জুলাই থেকে মে পর্যন্ত পোশাক রপ্তানি ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার, আগের বছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ কম। শিল্পের মুনাফার হার ৪ শতাংশের নিচে, ফলে বাড়তি খরচ সামলানোর সক্ষমতাও সীমিত। প্রবাসী আয়ের ঝুঁকিও কম নয়। ২০২৪ থেকে ২৫ অর্থবছরে মোট প্রবাসী আয়ের ৪৫ দশমিক ৪ শতাংশ, অর্থাৎ ১৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, আর এডিবি সতর্ক করেছে, সংঘাতে সেখানকার শ্রমবাজার দুর্বল হলে এই প্রবাহ চাপে পড়বে। এক ঝুড়িতে সব ডিম রাখার পরিণতি এমনই হয়।
সম্পদের দিক থেকে বাংলাদেশ কৃপণ নয়। কক্সবাজারের প্রায় ১২০ কিলোমিটার অবিচ্ছিন্ন সৈকত, ইউনেসকো স্বীকৃত সুন্দরবন, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ, পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার, সেন্ট মার্টিনের প্রবাল, পার্বত্য চট্টগ্রামের মেঘ আর হাওরের বর্ষার জলসমুদ্র, সবই আছে আমাদের ঝুলিতে। আছে জামদানির মসৃণতা, শীতলপাটির শিল্প, চায়ের বাগান আর গ্রামীণ রান্নাঘরের ঘ্রাণ। কিন্তু সম্পদ থাকা আর আয় তৈরি করা এক কথা নয়। আমাদের বড় দুর্বলতা আকর্ষণের অভাব নয়, পর্যটন অর্থনীতির অসম্পূর্ণ মূল্যশৃঙ্খল। নিরাপদ পরিবহন, পরিচ্ছন্ন শৌচাগার, মানসম্মত আবাসন, নির্ভরযোগ্য তথ্য, প্রশিক্ষিত গাইড, ডিজিটাল বুকিং ও জরুরি সহায়তার ঘাটতি পর্যটকের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। হয়রানি, অস্বচ্ছ ভাড়া, ভাষাগত বাধা, সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি, জটিল ভিসা প্রক্রিয়া, উচ্চ বিমানভাড়া ও কর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, এসবের যোগফলে আস্থার সংকট তৈরি হয়। আর আস্থাই এই খাতের প্রথম মুদ্রা।
আরেকটি সতর্কসংকেত আগমনের পরিসংখ্যানে। প্রকাশিত তথ্যে ২০২৪ সালে বিদেশি দর্শনার্থী ছিলেন ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪ জন, ২০২৫ সালে তা কমে হয়েছে ৫ লাখ ৮৫ হাজার ১৪৫ জন। তবে এই সংখ্যায় অবকাশযাপনকারীর পাশাপাশি ব্যবসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে আসা মানুষও থাকেন। প্রকৃত চিত্র বুঝতে তাই দরকার গড় ব্যয়, অবস্থানকাল, স্থানীয় কেনাকাটা ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের নির্ভরযোগ্য হিসাব। পর্যটন অর্থনীতিতে সংখ্যার চেয়ে মাথাপিছু ব্যয় ও থাকার মেয়াদই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তাহলে পথ কোথায়? প্রচলিত ভাবনার বাইরে গিয়ে কয়েকটি সৃজনশীল উদ্যোগ ভাবা যায়।
প্রথমত, আস্থার অর্থনীতি। প্রতিটি প্রধান গন্তব্যে একটি ডিজিটাল ট্যুরিস্ট পাস চালু হতে পারে। একটি কিউআর কোড স্ক্যান করলেই পর্যটক জানবেন যাচাইকৃত গাইড ও পরিবহনের পরিচয়, সরকার নির্ধারিত ভাড়া, বহুভাষিক সহায়তা এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের জরুরি নম্বর। এতে প্রতারণার সুযোগ কমবে, বৈধ ব্যবসায়ী পাবেন প্রতিযোগিতার সুবিধা, আর সরকার পাবে রিয়েল টাইম তথ্য, যা পর্যটন স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট তৈরির ভিত্তি হবে। নিরাপত্তা তখন আর বাড়তি সুবিধা থাকবে না, হবে অর্থনৈতিক অবকাঠামোর অংশ।
দ্বিতীয়ত, প্রবাসীদের নতুন ভূমিকা। বিদেশে থাকা বাংলাদেশি পরিবারগুলো দেশের সঙ্গে আবেগে বাঁধা। তাঁদের জন্য দেশে ছুটির বিশেষ প্যাকেজ এবং বিদেশি বন্ধুদের সঙ্গে আনার প্রণোদনা কম খরচে বড় বাজার তৈরি করতে পারে। প্রবাসী আয়ের একটি অংশ পর্যটন অবকাঠামোয় টানতে ডায়াসপোরা ট্যুরিজম বন্ডের কথাও ভাবা যায়। এতে প্রবাসী আয় শুধু ভোগে নয়, উৎপাদনশীল বিনিয়োগেও যুক্ত হবে।
তৃতীয়ত, স্থানীয় মূল্য সংযোজন। পর্যটক হোটেলে অর্থ ব্যয় করলেন, কিন্তু হোটেল যদি স্থানীয় কৃষক, জেলে ও কারুশিল্পীর কাছ থেকে কেনাকাটা না করে, তবে সেই অর্থ গ্রামে পৌঁছাবে না। হোটেল ও রিসোর্টে স্থানীয় কৃষিপণ্য কেনায় প্রণোদনা, জামদানি, নকশিকাঁথা, শীতলপাটি, চা ও মৎস্যজাত পণ্যকে একটি জাতীয় ব্র্যান্ডের ছাতার নিচে আনা এবং বিদেশি পর্যটকের কেনাকাটায় কর ফেরতের ব্যবস্থা এই শৃঙ্খলকে শক্ত করবে। তখন এক ডলারের বিদেশি ব্যয় অর্থনীতিতে কয়েকবার হাত বদলাবে, আর কারখানাহীন উপকূল, হাওর ও পাহাড়ি জনপদেও পৌঁছাবে আয় ও কর্মসংস্থান।
চতুর্থত, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার অর্থায়ন। গ্রামীণ হোমস্টে, পরিবেশবান্ধব নৌযান, স্থানীয় গাইড সেবা কিংবা নারী উদ্যোক্তার খাবারের ব্যবসার জামানত নেই বলে অনেক সম্ভাবনা থেমে থাকে। বুকিং, ডিজিটাল লেনদেন ও নগদ প্রবাহের তথ্যের ভিত্তিতে ঋণ মূল্যায়ন এবং ফলাফলভিত্তিক পর্যটন বিনিয়োগ তহবিল এই বাধা সরাতে পারে, যেখানে সাফল্য মাপা হবে স্থানীয় কর্মসংস্থান, পর্যটকের অবস্থানকাল ও পরিবেশ সংরক্ষণ দিয়ে।
পঞ্চমত, প্রকৃতির দাম প্রকৃতিকেই ফিরিয়ে দেওয়া। সুন্দরবন, হাওর ও পাহাড়ে কমিউনিটি মালিকানাধীন ইকো লজ গড়ে আয়ের একটি অংশ স্থানীয় সমবায়ের হাতে দেওয়া যায়। ভুটান যেমন দৈনিক টেকসই উন্নয়ন ফির মাধ্যমে সংখ্যার বদলে মানের পর্যটনকে বেছে নিয়েছে, আমরাও একটি সবুজ উপকর বসিয়ে তার পুরোটা সংরক্ষণে ব্যয় করতে পারি। ম্যানগ্রোভ ও বনভিত্তিক কার্বন ক্রেডিটের আয়ও এই তহবিলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। প্রকৃতি নষ্ট করে অর্জিত আয় দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।
ষষ্ঠত, আকাশপথ ও ঋতুর হিসাব। নির্বাচিত বাজারের জন্য অনলাইন ও আগমনকালীন ভিসা, মৌসুমি চার্টার ফ্লাইটে প্রণোদনা এবং বিমান জ্বালানির করের যৌক্তিকীকরণ আসনপ্রতি খরচ কমাবে। কক্সবাজারে বর্ষায় আর হাওরে শুষ্ক মৌসুমে আবাসন ফাঁকা থাকে। অফ সিজন প্রণোদনা, গতিশীল মূল্যনির্ধারণ, সম্মেলন পর্যটন ও উৎসবভিত্তিক আয়োজন সারা বছরের আয়ের ধারা তৈরি করবে। ডিজিটাল নোম্যাড ভিসার মতো দীর্ঘ অবস্থানের সুযোগ মাথাপিছু আয় বাড়াতে পারে।
সবশেষে আসে মানুষ। ভালো হোটেল গড়া সহজ, ভালো আতিথেয়তা গড়া কঠিন। হোটেল ব্যবস্থাপনা, খাদ্য উৎপাদন, হাউসকিপিং, ফ্রন্ট অফিস, বিদেশি ভাষা, ডিজিটাল বিপণন ও পর্যটন নিরাপত্তায় প্রশিক্ষিত তরুণ ছাড়া কোনো পরিকল্পনাই প্রাণ পায় না। শিক্ষক হিসেবে দেখি, শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগসূত্র এখনো দুর্বল। পলিটেকনিক ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে আতিথেয়তা শিক্ষার সম্প্রসারণ, হোটেল ও ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে সরাসরি শিক্ষানবিশি চুক্তি এবং ভাষাশিক্ষার ওপর জোর দিলে একই তরুণ দেশে কাজ পাবেন, উদ্যোক্তা হবেন, আবার দক্ষতার জোরে বিদেশের শ্রমবাজারেও জায়গা করে নেবেন।
সরকার জাতীয় পর্যটন পরিষদ গঠন করেছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মহাপরিকল্পনার কাজও চলছে। কাঠামো তৈরি হয়েছে, এখন দরকার ধারাবাহিক বাস্তবায়ন, জবাবদিহি ও তথ্যনির্ভর নীতি। এ জন্য একটি জাতীয় পর্যটন অর্থনৈতিক ড্যাশবোর্ড হতে পারে দিকনির্দেশক, যেখানে দর্শনার্থীর ধরন, গড় ব্যয়, কর্মসংস্থান, স্থানীয় মূল্য সংযোজন, বিনিয়োগ ও পরিবেশগত প্রভাব একসঙ্গে প্রকাশিত হবে।
পর্যটন রাতারাতি পোশাকশিল্প বা প্রবাসী আয়ের জায়গা নেবে না, নেওয়ার প্রয়োজনও নেই। তার কাজ হলো টুলের তৃতীয় পা হয়ে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। পোশাকশিল্প আমাদের উৎপাদনের শক্তি দেখিয়েছে, প্রবাসী আয় দেখিয়েছে বিশ্ব শ্রমবাজারের গুরুত্ব, আর পর্যটন দেখাতে পারে যে একটি দেশের প্রকৃতি, সংস্কৃতি, আতিথেয়তা ও দক্ষতাও আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান সম্পদ। প্রশ্ন এখন আর সম্ভাবনা আছে কি না তা নয়। প্রশ্ন হলো, সেই সম্ভাবনাকে আয়, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রায় রূপ দিতে আমরা কতটা প্রস্তুত। উত্তরটা নির্ভর করছে আমাদের পরিকল্পনা, বিনিয়োগ আর আন্তরিকতার ওপর।

লেখক: বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।

( মতামত লেখকের নিজস্ব )


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category