• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
Headline
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য, দক্ষতা ও গবেষণা সহযোগিতা বাড়াতে গুরুত্বারোপ গ্রিসের সাইক্লাডেস দ্বীপপুঞ্জের সিফনোস এখন ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে নতুন আকর্ষণ চলতি অর্থবছরেই সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন, লাগবে ছয় হাজার কোটি টাকা: প্রতিমন্ত্রী শিকলবিহীন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই শিকল ভেঙেছি: তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে স্বপ্ন পূরণ হলো শিক্ষার্থী অনুশ্রী রায়ের ঢাকায় প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার সময় চিকিৎসককে হাতেনাতে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তনু হত্যা মামলায় হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ তিনদিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানি মন্ত্রী মৃত্যুদণ্ড বাদ না দেওয়ায় প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য দেয়নি জাতিসংঘ: ট্রাইব্যুনালকে প্রসিকিউটর দেশজুড়ে কেনাকাটায় সেরা অফার, ডিসকাউন্ট নিয়ে এলো দারাজ ৮.৮ গ্রেট ৮ সেল

আকাশ মেঘলা, ধান ডুবে যাওয়ার শঙ্কা কিশোরগঞ্জের কৃষকদের

Reporter Name / ৯৭ Time View
Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা,কিশোরগঞ্জ: টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের প্রভাবে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি কোথাও বেড়েছে আবার কোথাও কমেছে। শনিবার সারাদিন বৃষ্টি থাকলেও আজ রবিবার বৃষ্টি নেই। তবে আকাশ মেঘলা থাকায় ধান ডুবে যাওয়ার শঙ্কা কাটছে না কৃষকদের।
রবিবার (৩ মে) সকাল ৯টার কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি বেড়ে ৩.১৬ মিটারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১০ সেন্টিমিটার বেশি। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ২.৭৮ মিটার, বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ সেন্টিমিটার। অন্যদিকে অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি কমে ২.৪০ মিটারে নেমেছে, যা আগের চেয়ে ৫ সেন্টিমিটার কমেছে। ভৈরব বাজারে মেঘনা নদীর পানি কমে ১.৭৭ মিটার হয়েছে, যা ৩ সেন্টিমিটার কমেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড আরও জানিয়েছে, সব নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১১০ থেকে ৪০০ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত ও উজানের পানির চাপ অব্যাহত থাকলে নদ-নদীর পানি আবারও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে হাওরাঞ্চলের বোরোধান আরও তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে, যা কৃষকদের ক্ষতি বাড়াতে পারে।
জেলার নিকলী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৭ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
স্থানীয় কৃষকেরা জানায়, এরইমধ্যে হাওরাঞ্চলের হাজার হাজার হেক্টর জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা। গতকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় খলায় রাখা ধান শুকাতে সমস্যা হচ্ছে। ধান ঠিকমতো শুকাতে না পারলে পচে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনেকের ধানে পচে যাচ্ছে আবার অনেকের ধানে চারা গজিয়েছে।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এর আগেই দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, শনিবার বিকেল পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের তথ্যমতে ৯ হাজার ৪৫ হেক্টর জমি পানির নিচে চলে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category