• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
Headline
বিমানবন্দরে গিয়ে নারী জানতে পারেন, তাঁর ভিসায় আরেকজন ইতালি চলে গেছেন আটক রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌ-প্রধানের সাক্ষাৎ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিটসহ বিশেষ সুবিধা যুক্ত করা হবে : বিমান মন্ত্রী শিশুদের প্রযুক্তি থেকে দূরে নয়, সঠিক ব্যবহার শেখাতে হবে: ববি হাজ্জাজ মধ্যস্থতায় মামলা ৬২% কমেছে, এক বছরে বিচার বিভাগে আশার আলো দেখা যাবে : আইনমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের কাজে অসন্তুষ্ট হলে মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আনতে পারেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমের হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা যে কারনে ভাইরাল বিটিএস তারকা জিমিন

ইসলামে হিংস্র প্রাণী খাওয়া হারাম কেন? বললেন ডা. জাকির নায়েক

Reporter Name / ১১৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

ইসলাম ডেস্ক : আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি আলোচক ডা. জাকির নায়েক এক বক্তব্যে ইসলামে কিছু প্রাণী খাওয়া হালাল ও কিছু প্রাণী খাওয়া হারাম হওয়াার কারণ এবং এ ব্যাপারে আধুনিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তার ভেরিভায়েড ইউটিউব চ্যানেলে `Why is Pork Prohibited in Islam?’ শিরোনামে ওই বক্তব্যের ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। পাঠকদের জন্য তার বক্তব্যের সারাংশ তুলে ধরছি।
ডা. জাকির নায়েক বলেন, অমুসলিমদের মধ্যে যারা নিরামিষভোজী, তারা মাঝেমধ্যে প্রশ্ন করে, ইসলাম ইসলাম কেন পশু-পাখি খাওয়ার অনুমতি দেয়? তারা বলে, ‘তোমরা মুসলিমরা পশু খাও, আর আজকের বিজ্ঞান বলে তুমি যা খাও তা তোমার আচরণকে প্রভাবিত করে। তাই তোমরা পশুর মতোই হিংস্র ও সহিংস।’ এই অভিযোগের জবাবে আমি বলি, আমি তোমার সাথে একমত। আমি জানি এই গবেষণার কথা। বিজ্ঞান সত্যিই বলে যে তুমি যা খাও তা তোমার আচরণে প্রভাব ফেলে। ঠিক এই কারণেই আমরা মুসলিমরা কখনো মাংসাশী হিংস্র প্রাণী খাই না। সিংহ খাই না, বাঘ খাই না, চিতাবাঘ খাই না। কারণ আমরা হিংস্র ও সহিংস হতে চাই না। আমরা খাই তৃণভোজী শান্তিপ্রিয় প্রাণী যেমন গরু, ছাগল, ভেড়া। কারণ আমরা মুসলমানরা শান্তিপ্রিয় মানুষ হতে চাই।
সুতরাং তুমি যদি ওই গবেষণার সাথে একমত হও যে খাবার আচরণকে প্রভাবিত করে, তাহলে বুঝতে পারবে, আমরা কেন শুধু শান্তিপ্রিয় বা তৃণভোজী প্রাণী যেমন গরু, ছাগল, ভেড়া খাই। কারণ আমরা শান্তিপ্রিয়। হিংস্র প্রাণী যেমন সিংহ, বাঘ, চিতা, নেকড়ে এগুলো আমাদের জন্য নিষিদ্ধ, কারণ আমরা হিংস্র হতে চাই না।
এই বিষয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা আরাফে বলেছেন, যারা অনুসরণ করে রাসুলের, যে উম্মী নবী; যার গুণাবলী তারা নিজদের কাছে তাওরাত ও ইঞ্জিলে লিখিত পায়, যে তাদেরকে সৎ কাজের আদেশ দেয় ও বারণ করে অসৎ কাজ থেকে এবং তাদের জন্য পবিত্র বস্তু হালাল করে আর অপবিত্র বস্তু হারাম করে। (সুরা আ’রাফ: ১৫৭)
এ আয়াতটি ইসলামের খাদ্যবিধির মূল ভিত্তি। যা পবিত্র ও উপকারী তা হালাল, আর যা অপবিত্র ও ক্ষতিকর তা হারাম—এই নীতিতেই ইসলাম কিছু খাবার হালাল করেছে, কিছু খাবার হারাম করেছে।
রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিভিন্ন হাদিসে বিস্তারিতভাবে বলা আছে কোন ধরনের প্রাণী খাওয়া যাবে না। নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ সম্পর্কিত হাদিস সহিহ বুখারিতে (হাদিস নম্বর ৪৯৯৪) ও সুনানে ইবনে মাজায় (হাদিস নম্বর ৩২৪৮, ৩২৪৯ ও ৩২৫০) বর্ণিত হয়েছে। এ ছাড়াও আরও অনেক সহিহ হাদিসে এই বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে উল্লেখ আছে।
নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্পষ্টভাবে বলেছেন, কয়েকটি শ্রেণির প্রাণী খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
প্রথম শ্রেণি হলো বিড়াল জাতীয় সব মাংসাশী হিংস্র প্রাণী। এর মধ্যে পড়ে সিংহ, বাঘ, চিতাবাঘ, চিতা, বিড়াল, কুকুর এবং নেকড়ে। মূলত যে কোনো মাংসাশী প্রাণীই এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে। দ্বিতীয় শ্রেণি হলো ইঁদুর জাতীয় প্রাণী। এর মধ্যে রয়েছে ইঁদুর ও নখরযুক্ত খরগোশ। তৃতীয় শ্রেণি হলো সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী যেমন সাপ, কুমির এবং এই জাতীয় অন্যান্য প্রাণী। চতুর্থ শ্রেণি হলো নখর আছে এমন শিকারি পাখি যেমন পেঁচা, কাক, শকুন ও ঈগল। এই সব ধরনের প্রাণী খাওয়া মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category