• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সাধারণ মানুষের কী হবে? দিনে গরম, রাতেও ঘুম নেই ভোগান্তির সঙ্গে বাড়ছে ব্যয় নতুন পে স্কেলে মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা চাপ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে: ডা. জাহেদ উর রহমান ঢাকার রাস্তায় লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি চলতে দেয়া হবে না: ট্রাফিক প্রধান যেকোনও জোটে অংশগ্রহণে দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত: শামা ওবায়েদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ৯ দাবি ও পরামর্শ ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ নয়, আসছে লাইসেন্স-রেজিস্ট্রেশনের নীতিমালা ম্যানেজিং কমিটি নয়, এনটিআরসিএর মাধ্যমেই হবে শিক্ষক নিয়োগ ‘পেঁয়াজের ঝাঁজ’, ‘মরিচের ঝাল’ লিখে অযথা আতঙ্ক ছড়াবেন না : বাণিজ্য পরামর্শক নতুন পে-স্কেল ‘ঐতিহাসিক’, সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা
এভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে

উপযুক্ত সময়ে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত সফর করবেন : হুমায়ুন কবির

Reporter Name / ১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাদের যুক্ত করে দিল্লিতে ভারত সরকারের সেমিনারের অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্তকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ বলে মনে করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, উপযুক্ত সময় বা পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত সফর করবেন। তবে এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ কেনা নিয়েও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। এভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসব ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
গত ২৯ আগস্ট আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বক্তাদের নিয়ে দিল্লিতে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। দিল্লি পুলিশ ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবকে (এফসিসি) এই অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর আপাতত হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ হয়নি। তবে একটি উপযুক্ত সময়ে অবশ্যই সফরটি হবে। পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে এবং উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় ও উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে তারিখ ঠিক করা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা আছে কি না, জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করিনি।’ এ সময় সাংবাদিকেরা যে আলোচনাটি (ভারতের সঙ্গে) স্থবির হয়ে গিয়েছিল, তা নতুন করে আবার শুরু বা সচল হলো কি না, জানতে চান। এটা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, কোনো তারিখ ঠিক না করা মানেই তো আর আলোচনা থমকে যাওয়া নয়।’ কোনো তারিখ নির্ধারণ না করলেও আলাপ-আলোচনা চলছিল বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আলোচনার সময়ে ৫ আগস্টের মতো একটি ঘটনা ঘটে, যা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছিল। আপনারা সবাই জানেন যে আমরা সেই বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছি। এখন আবারও আমাদের আলোচনা চলছে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে ঢাকায় আশ্রয় দেওয়া হবে না। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসী যেন দিল্লি কিংবা ভারতের কোনো সার্বভৌম ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়, সেই আশার কথা তিনি বলেন।
কোনো চাপের মুখে অথবা অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাক্ষরিত চুক্তির ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে কি না—জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, কোনো চাপের কারণে নয়।’ এভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশে এয়ারক্রাফট ফ্লিটের (বিমানের বহর) সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তা না হলে নতুন রুট চালু করা সম্ভব হবে না ও ব্যবসা হারাতে হবে বলেন তিনি। এভিয়েশন হাব হিসেবে রাজস্ব ও যাত্রীসংখ্যা বাড়াতে হলে দীর্ঘ মেয়াদে এয়ারক্রাফট কিনতেই হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে, নাকি প্রাথমিক আলোচনা জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমত, ওয়াশিংটনের সঙ্গে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আবার বেইজিংয়ের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক রয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্কে একটি চমৎকার ভারসাম্য বজায় রেখে সরকার চলছে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে, তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। তাই তাদের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়ানো হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও উড়োজাহাজ কেনাকাটা করা হবে বলেন তিনি। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ৭০ থেকে ৮০টি বা তারও বেশি উড়োজাহাজের চাহিদা রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগতভাবে বোয়িং বিমান কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category