• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
Headline
সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসাইটে পিএইচপি নিরাপত্তার ঝুঁকি, ফের সতর্কতা মালয়েশিয়ার ৩০ সদস্যের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসছে সোমবার বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদের ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত এখনও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে রান্নার গ্যাস, আবার বাড়ানোর প্রস্তাব বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছে : শফিকুর রহমান হাসিনার ফেরার গুঞ্জনে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নিজ বাড়িতে দাফন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী এডিপি বাস্তবায়নে রেকর্ড ধস, প্রথম প্রান্তিকে হার ৩.৮৯%

উলিপুরে তিস্তার তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে দুই শতাধিক পরিবার

Reporter Name / ১০২ Time View
Update : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা,কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে শতাধিক বাড়িঘরসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বসুনিয়াপাড়ার প্রায় দুইশতাধিক বাড়িঘর।
জানা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের গত ২০ দিনে ব্যবধানে বসুনিয়াপাড়া এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে প্রায় শতাধিক বাড়িঘরসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। এতে অনেকেই খোলা আকাশে নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। হুমকির মুখে রয়েছে আরও দুইশতাধিক বাড়িঘরসহ হাজার হাজার ফসলি জমি।
দলদলিয়া ইউনিয়নের বসুনিয়া পাড়া এলাকায় আবু বক্কর (৬৫) বলেন, বাড়িঘর সাতবার ভাঙনের পর আবারেও নদী বাড়িঘর ভাঙলো এখন কই যাবো যাওয়ার মতো জায়গা নাই। বউ-মেয়েকে নিয়ে খুব বিপদে আছি, টাকাও নাই কেমন করি সংসার চালাবো।
মহুবর রহমান (৬৫) বলেন, গত বর্ষা মৌসুমের আগে কর্পূরা বসুনিয়াপাড়া রক্ষায় কিছু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা খরস্রোতে নদীর গর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে।
আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা এলাকায়বাসীর পক্ষ থেকে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আবেদন জমা দিয়েছি। তিনি বলেছেন, “আমাদের কাছে বরাদ্দ নেই”। আমরা এখন কোথায় যাবো। সরকারের কাছে অনুরোধ আমাদের নদীতে যেন বাঁধ দেয়, তা না হলে এই গ্রামটা বিলীন হওয়া যাবে।
সখিনা বেওয়া (৯০) ও আনোয়ারা বেওয়া (৫০) বলেন, ‘হামার বাড়ি ভাঙি যায়া মানুষের জায়গাত আছি খুব কষ্ট দিন যাপন করছি, সরকার যদি আমার দেখি দেখিল হয় তাহলে ভালো হইলো হয়।’
আব্দুল জলিল মিয়া বলেন, দুই পাশে বস্তা দেওয়া আছে মাঝখানে প্রায় ১ কিলোমিটার বস্তা ফেলা নাই। যেভাবে নদী ভাঙছে, কয়েক দিনের মধ্যে গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। তিস্তার ভাঙনে সর্বশান্ত হয়ে অনেকই ভিক্ষা করে সংসার চালাচ্ছে।
উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. আরিফ বলেন, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, জিও ব্যাগ শেষ হয়ে যাওয়ায় চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এখনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি। বরাদ্দ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category