• শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন
Headline
নিত্যপণ্যের বাজারে কিছুটা স্বস্তির পরিবেশ রাজধানীর ২ সিগন্যালে এআই ক্যামেরা বন্ধ থাকার খবর, যা বলছে ট্রাফিক কর্তৃপক্ষ পুরো লেবানন পুড়িয়ে ছারখার করে দেওয়া হবে: ইসরায়েলি মন্ত্রী রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট প্রসঙ্গে যা বলছে সিআইডি যুক্তরাজ্যে জিতলেন অ্যান্ডি বার্নহাম, তাহলে কি সরতেই হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী স্টারমারকে আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ডুবল চট্টগ্রাম, ভোগান্তিতে নগরবাসী পরিকল্পিত বাঁধ ও ড্রেজিং করলে তিস্তাপাড়ের মানুষকে রক্ষা করা সম্ভব : পানিসম্পদমন্ত্রী সরকার ইতিমধ্যে অনেক অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে : শফিকুর রহমান রায়পুরায় সংঘর্ষ : মেঘনা নদী থেকে আরও এক মরদেহ উদ্ধার, নিহত বেড়ে ৩ মেহেরপুর বুড়িপোতা সীমান্তে বিজিবির কড়া অবস্থানে ব্যর্থ হলো বিএসএফের পুশইন চেষ্টা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পুলিশ সতর্ক: ডিএমপি

Reporter Name / ৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, গুলি ও মাদক এবং ‘সন্ত্রাসী সজল’ ও তাঁর তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ডিএমপি। আজ শুক্রবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে- ছবি সংগৃহীত

প্রভাত রিপোর্ট: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ কোনো আশঙ্কা নেই। তবে পুলিশ সতর্ক অবস্থায় আছে। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. এস এন নজরুল ইসলাম এ কথাগুলো বলেন।
যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, গুলি ও মাদক এবং ‘সন্ত্রাসী সজল’ ও তাঁর তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সারা বছরই বিভিন্ন কর্মসূচি থাকে। আমাদের সামনে বড় কর্মসূচি হচ্ছে ১০ মহররম বা আশুরা। পাশাপাশি ২৩ জুন একটি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেকপোস্ট, টহল, বিশেষ অভিযানসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে এবং থাকবে।’
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার জানান, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর সময় গত ২ মার্চ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তাকে গুলি করে পালিয়ে যায় চার অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী। এ ঘটনায় ওয়ারী থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়। ওয়ারী থানার পুলিশ প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের হেফাজত থেকে তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তারা জানায়, ওয়ারী বিভাগের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও অস্ত্র-মাদকের গডফাদার সজল ওরফে অটো সজল অস্ত্র সরবরাহ করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ শীর্ষ সন্ত্রাসী সজল ওরফে অটো সজলকে গ্রেপ্তার করে বলে জানায় পুলিশ।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সজল জানান, স্বামীবাগ এলাকায় তাঁর একটি ভাড়া বাসায় বিপুল অস্ত্র ও মাদক আছে। ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে অটো সজলের আরও তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেখান থেকে ২টি পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন, ৭৭টি তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন, হেরোইন প্রস্তুতের জন্য ২৭ গ্রাম উপকরণ, মাদক বিক্রির ২২ হাজার ৯৬০ টাকা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার চারজন হলেন সজল ওরফে অটো সজল (৩১), মো. বাপ্পী (২৮), মো. হানিফ (৪০) এবং শামসুন নাহার (৪৫)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনার সূত্র ধরে এখন পর্যন্ত মোট পাঁচটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো পুলিশের লুট হওয়া কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘আমরা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি যে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র কি না। এগুলো আমাদের অস্ত্র শাখায় পাঠানো হবে। রেজিস্টার যাচাই করে জানা যাবে, এগুলো কোন থানা বা এলাকা থেকে খোয়া গিয়েছিল।’
বিভিন্ন ঘটনায় হামলার লক্ষ্য পুলিশ কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত দিনের কথা আমি বলতে চাই না। তবে ৫ আগস্টের পর পুলিশের যে ভঙ্গুর অবস্থা ছিল, সেখান থেকে পুলিশকে অনেকটা স্ট্রিম লাইনে (পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থা) আনার চেষ্টা করেছি, করে যাচ্ছি।’
মোহাম্মদপুরের চাঁদাবাজ ফারুক জামিনে বের হয়ে আবার চাঁদাবাজিতে জড়ানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির এই অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘পুলিশের কাজ হলো অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা, তাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা এবং আদালতে উপস্থাপন করা। পরবর্তী বিষয়গুলো আইনজীবী, প্রসিকিউশন ও বিচার বিভাগের আওতাধীন। কাকে জামিন দেওয়া হবে, কাকে দেওয়া হবে না, কাকে শাস্তি দেওয়া হবে—এসব আদালতের বিষয়।’


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category