• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
অ্যাটর্নি জেনারেল আইনজীবীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন: মাহবুব উদ্দিন খোকন স্কুল ফিডিং শুধু পুষ্টি নয়, সুশাসনেরও পরীক্ষা: ববি হাজ্জাজ র‌্যাবের বিলুপ্তি চেয়েছিলাম, নাম বদলে একই বাহিনী চাইনি: শফিকুর রহমান স্থানীয় নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগই নেই: শাহে আলম ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতা ও সহমর্মিতার ওপর গুরুত্বারোপ ডিজিটাল ও এআই-সহায়ক সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর আইন প্রয়োজন: আইনমন্ত্রী র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠন, এপিবিএনের ক্ষমতা বৃদ্ধি ইউরোপে বেড়েছে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৯৪

খাদ্য খাতে নতুন মাইলফলক, সরকারি গুদামে রেকর্ড মজুত

Reporter Name / ৩২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: সরকারের প্রথম ১৮০ দিন উপলক্ষে প্রকাশিত ই-বুকে খাদ্য খাতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। খাদ্যশস্যের মজুত বৃদ্ধি, ভর্তুকি মূল্যে খাদ্য সরবরাহ, খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ই-বুকে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৮ জুলাই তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারি গুদামে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৪ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। যেখানে নিরাপদ মজুতের নির্ধারিত পরিমাণ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টন। বর্তমান মজুতের মধ্যে প্রায় ১৯ লাখ ৬১ হাজার টন চাল, ২ লাখ ৯৬ হাজার টন গম এবং ১ লাখ ৬৯ হাজার টন ধান রয়েছে। ধানগুলো চাল হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।
ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, খাদ্যের মানোন্নয়ন, ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উচ্চপর্যায়ের খাদ্যনিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হয়েছে। খাদ্য পরীক্ষা ও নজরদারি আরও শক্তিশালী করতে আধুনিক পরীক্ষাগার স্থাপন এবং জনবল বৃদ্ধির কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে। এর মাধ্যমে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মূল্যস্ফীতির প্রভাব কমাতে ১ হাজার ১১টি কেন্দ্রে খোলাবাজারে খাদ্যশস্য বিক্রি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা, খোলা আটা ২৪ টাকা এবং দুই কেজির প্যাকেটজাত আটা ৫৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এ ছাড়া জরুরি খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে ৮৩৬টি উপজেলা বিক্রয়কেন্দ্রে প্রতিদিন ৪০৬ টন চাল ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।
ই-বুকে বলা হয়েছে, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩৩ হাজার ৮৩৩ টন চাল ৬৭ লাখের বেশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের কাছে ৩০ টাকা কেজি দরে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে নিম্নআয়ের ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের খাদ্য ব্যয় কমানোর পাশাপাশি তাদের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে সরকার।
২০২৬ সালের বোরো সংগ্রহ অভিযানেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২৮ জুন পর্যন্ত ২ লাখ ৭১ হাজার টন ধান এবং ৭ লাখ ৯৯ হাজার টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি খাদ্য মজুত বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান ও চাল সংগ্রহ করে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাজারে খাদ্যশস্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রতিদিন খোলাবাজারে বিক্রি কার্যক্রমের আওতায় ১ হাজার ১৯৫ টন চাল এবং ১ হাজার ৪৪৩ টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে। সরকারের এ কার্যক্রমের ফলে বাজারে খাদ্যশস্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করছে। ফসল কাটার পর খাদ্যের অপচয় কমাতে আধুনিক গুদাম, ক্ষুদ্র শীতল সংরক্ষণাগার এবং উন্নত সংরক্ষণব্যবস্থা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ফসল-পরবর্তী অপচয় কমবে, কৃষকের লাভ বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে প্রয়োজনের সময় বাজারে খাদ্যশস্যের সরবরাহ নিশ্চিত করাও সহজ হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category