• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসাইটে পিএইচপি নিরাপত্তার ঝুঁকি, ফের সতর্কতা মালয়েশিয়ার ৩০ সদস্যের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসছে সোমবার বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদের ফ্লাইট ৪ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত এখনও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে রান্নার গ্যাস, আবার বাড়ানোর প্রস্তাব বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছে : শফিকুর রহমান হাসিনার ফেরার গুঞ্জনে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্বারোপ রাষ্ট্রপতির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় নিজ বাড়িতে দাফন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী এডিপি বাস্তবায়নে রেকর্ড ধস, প্রথম প্রান্তিকে হার ৩.৮৯%

গ্যাসের সংকটে দুই দিনেই বন্ধ যমুনা সার কারখানার উৎপাদন

Reporter Name / ১১ Time View
Update : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত রিপোর্ট: গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় আবারও ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা থেকে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান ফজলুল হক।
কারখানা সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। গ্যাস সংকটে টানা সাত মাস বন্ধ থাকার পর গত ২০ সেপ্টেম্বর কারখানাটিতে গ্যাস সরবরাহ চালু হয় এবং উৎপাদন শুরু হয়। তবে ৭ অক্টোবর বয়লার প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় আবার উৎপাদন বন্ধ করতে হয়। মেরামত শেষে ১৬ দিনের বিরতি পেরিয়ে ২৩ অক্টোবর উৎপাদন শুরু হয়েছিল। কিন্তু দুই দিন না যেতেই গ্যাসের অভাবে ফের বন্ধ হয়ে গেল কারখানাটি। প্রতিষ্ঠানটিতে গ্যাস সরবরাহ করে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
উৎপাদন বিভাগের প্রধান ফজলুল হক জানান, কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখতে প্রতি ঘণ্টায় নয়, বরং গ্যাসের চাপ ৪২ থেকে ৪৩ পিএসআই থাকা প্রয়োজন। কিন্তু প্রয়োজনীয় চাপ না পাওয়ায় রবিবার ভোর থেকে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে উৎপাদন পুনরায় চালু করা হবে।
কারখানা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাস সংকট ও যন্ত্রপাতির সমস্যায় গত কয়েক বছর ধরেই উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ বিরতির পর গত ২০ সেপ্টেম্বর গ্যাস সংযোগ ফিরে পেলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে অক্টোবরের শুরুতে আবার বন্ধ হয় উৎপাদন। পরে ২৩ অক্টোবর চালু হওয়ার পর এবার গ্যাসের ঘাটতিতে কার্যক্রম থেমে গেলো।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীন এ কারখানার উৎপাদিত সার ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সরবরাহ করা হয়।
কারখানাটিতে উৎপাদন সচল থাকলে প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে লাভের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, উৎপাদন বন্ধ থাকলেও প্ল্যান্ট সচল রাখা ও অন্যান্য খাতে ব্যয় বহন করতে হয়। শুধু গ্যাস বিল বাবদ মাসে প্রায় ৬ কোটি টাকা খরচ হয় বলে সূত্রের দাবি। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে কৃষকদের কাছে সারের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হতে পারে। এতে কৃষি উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category