প্রভাত সংবাদদাতা, চাঁদপুর: চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের হাজীগঞ্জ অংশে আধা কিলোমিটারজুড়ে এখন ময়লার স্তূপ। হাজীগঞ্জ প্রবেশের ব্রিজ থেকে চত্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে প্রতিদিনই ফেলা হচ্ছে নানা ধরনের বর্জ্য। সবচেয়ে বেশি ময়লা জমেছে বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। বৃষ্টিতে এসব বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে সড়কেও। পচা-বাসি বর্জ্যের উৎকট দুর্গন্ধে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও যাত্রীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের পাশের ময়লা-আবর্জনা পানির সঙ্গে গড়িয়ে মূল সড়কে চলে আসে। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ বাড়ে। পাশাপাশি বর্জ্য থেকে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার পাশাপাশি মশা-মাছি ও বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের উপদ্রবও বাড়ছে। পৌরসভার বারবার বলার পরও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আমরা চাই শহর থেকে দূরে যেন ময়লা ফেলার স্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন জানান, ১৯৮৫ সালে হাজীগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখনো ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য স্থায়ী কোনো ডাম্পিং ইয়ার্ড করা সম্ভব হয়নি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে একটি খাস জমি বন্দোবস্তের বিষয়ে চিঠি পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থায়ী ডাম্পিং ইয়ার্ড স্থাপনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই একটি স্থায়ী ডাম্পিং ইয়ার্ড চালু করে সড়কের পাশে বর্জ্য ফেলার সমস্যা ও জনদুর্ভোগ নিরসন করা সম্ভব হবে।