• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সাধারণ মানুষের কী হবে? দিনে গরম, রাতেও ঘুম নেই ভোগান্তির সঙ্গে বাড়ছে ব্যয় নতুন পে স্কেলে মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা চাপ তৈরির আশঙ্কা রয়েছে: ডা. জাহেদ উর রহমান ঢাকার রাস্তায় লক্কড়-ঝক্কড় গাড়ি চলতে দেয়া হবে না: ট্রাফিক প্রধান যেকোনও জোটে অংশগ্রহণে দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত: শামা ওবায়েদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের ৯ দাবি ও পরামর্শ ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ নয়, আসছে লাইসেন্স-রেজিস্ট্রেশনের নীতিমালা ম্যানেজিং কমিটি নয়, এনটিআরসিএর মাধ্যমেই হবে শিক্ষক নিয়োগ ‘পেঁয়াজের ঝাঁজ’, ‘মরিচের ঝাল’ লিখে অযথা আতঙ্ক ছড়াবেন না : বাণিজ্য পরামর্শক নতুন পে-স্কেল ‘ঐতিহাসিক’, সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা

চার শর্ত পূরণ না হলে প্রকল্প অনুমোদন নয়: অর্থমন্ত্রী

Reporter Name / ৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রভাত সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম: সরকারি অর্থের অপচয় কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অর্থের সঠিক ব্যবহার ও প্রতিদান নিশ্চিত করতে হবে। চারটি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না হলে কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হবে না। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২৪তম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অর্থমন্ত্রী হিসেবে কোনো প্রকল্প পাস করার আগে আমি চারটি বিষয় নিশ্চিত করি। প্রথমত: সেখানে অর্থের সঠিক মূল্য আছে কি না, দ্বিতীয়ত: এই বিনিয়োগ থেকে কী রিটার্ন বা প্রতিদান আসছে, তৃতীয়ত: এটি কর্মসংস্থান তৈরি করছে কি না এবং চতুর্থত: পরিবেশগত দিক রক্ষা করা হচ্ছে কি না। তিনি বলেন, এই চার শর্ত পূরণ না করলে আমার কাছে কোনো প্রকল্প আনবেন না। আমি ফেরত পাঠিয়ে দেব। কারণ এগুলো দেশের সাধারণ করদাতাদের টাকা। কোনো অবস্থাতেই এই টাকার অপচয় মেনে নেওয়া হবে না।
চুয়েটের আইটি ইনকিউবেটর প্রসঙ্গে আমির খসরু জানান, প্রায় ২৪ বছর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী থাকাকালে ঢাকায় একটি আইটি ইনকিউবেটর করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সরকারগুলোর ধারাবাহিক উদ্যোগ ও তদারকির অভাবে সেখান থেকে পুরোপুরি সুবিধা নেওয়া যায়নি।
চুয়েটেও আইটি ইনকিউবেটরে বড় অবকাঠামোগত বিনিয়োগ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বিনিয়োগ থেকে আদৌ কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিটি মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির নিয়ন্ত্রণ থাকলে সেখানে কার্যক্রম পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরের বিষয় হওয়ায় চুয়েটের নিজস্ব ব্যবস্থাপনাতেই পরিচালনা করা উচিত। এখান থেকে কী আউটপুট আসবে, তার পরিকল্পনাও চুয়েটকেই করতে হবে।
ঢাকায় ফিরে আইসিটি মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির সঙ্গে কথা বলবো উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী চুয়েটের উপাচার্যকেও ঢাকায় এসে বৈঠকের মাধ্যমে জটিলতার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
চুয়েটের উপাচার্যের উদ্যোগ ও চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতার প্রশংসা করে আমির খসরু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির জন্য উপাচার্যের বেশ কিছু ভালো ধারণা রয়েছে এবং তিনি চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত। বিজনেস-অ্যাজ-ইউজুয়াল ধারার বাইরে গিয়ে অল্প সময়ে চুয়েটকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, দেশের অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো চুয়েটের গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকেও যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও গবেষণায় অর্থের অভাবে সম্ভাবনাময় উদ্যোগ যেন থেমে না যায়, সেদিকেও নজর দিতে হবে।
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী আরও বলেন, শুধু লেখাপড়ায় নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, বিতর্ক ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুয়েটের সহযোগিতা জোরদার করে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এলাকার সন্তান হিসেবে চুয়েটের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সবসময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category