• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
ককরোচ পার্টির বিক্ষোভ

দেশে ‘কালো জরুরি অবস্থা’ জারি করেছে বিজেপি : আম আদমি পার্টি

Reporter Name / ২৫ Time View
Update : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে রাজাধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি); আর সেই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ঠেকাতে গিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার রাজধানী নয়াদিল্লি ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ১কালো জরুরি অবস্থা’ (ব্ল্যাক ইমার্জেন্সি) জারি করেছে বলে মনে করে আম আদমি পার্টি (এএপি)।
সাংবাদিকের সঙ্গে মত বিনিময়ের সময় এ তথ্য জানিয়েছেন দিল্লির রাজ্য সরকারে আসীন সাবেক এই দলটির বিধায়ক গোপাল রায়। সিজেপির দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে অবিলম্বে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগও দাবি করেছেন তিনি।
“কেন্দ্রীয় সরকার সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দেশে এক ‘কালো জরুরি অবস্থা’ জারি করেছে। আজ জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করতে তারা নয়াদিল্লিকে এক সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত করেছেন। কিন্তু কেন্দ্রের মনে রাখা উচিত, যতই বাহিনী মোতায়েন করুন না কেন, এই আন্দোলনকে দমন করা যাবে না”, সাংবাদিকদের একথা বলেছেন গোপাল রায়। আম আদমি পার্টির দিল্লি শাখার সভাপতি সৌরভ ভরদ্বাজ বলেছেন, আন্দোলনকারীরা কেবল ‘অহিংস’ উপায়ে নিজেদের দাবি তুলে ধরতে চান, কিন্তু বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করায় সেখানে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।
“জোর করে ‘জেন-জি’ বা বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের চুপ করিয়ে রাখা যায় না; তারা আমাদেরই তরুণ সমাজ, তাদের সঙ্গে কথা বলুন, আলোচনা করুন। বিজেপি সরকার দেখাতে চায় যে আমরা একটি ভীতু জাতি। কিন্তু আমরা তা নই; আমরা অহিংসা এবং ভারতের সংবিধানে বিশ্বাসী,” এক ভিডিও বার্তায় বলেন ভরদ্বাজ।
কথিত ‘ভোট চুরির’ অভিযোগে কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার বেলা ১০টায় নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি ডেকেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দিল্লি পুলিশ এ কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি, তবে সিজেপি তার তোয়াক্কা না করে জানিয়েছিল, কর্মসূচি যথা সময়ে শুরু হবে।
এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানীতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। মোতায়েন করা হয় ২৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের সদস্যকে, দিল্লির বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো হয়েছে ৩ শতাধিক ক্যামেরা, বন্ধ করা হয়েছে নয়াদিল্লির ৪৫টি মেট্রোরেল স্টেশনের সবগুলো এবং বাতিল করা হয়েছে দিল্লিগামী ২৫০টি ট্রেন।
এছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে চলমান অভিযানে নয়াদিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকাগুলো থেকে আটক করা ১ হাজারেরও বেশি লোকজনকে। আটকদের মধ্যে সিজেপির শীর্ষ ৩ সংগঠক অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, দলের আইন শাখার প্রধান রত্না সিংহ এবং ইউটিউবার-ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠিও আছেন।
শুক্রবার আম আদমি পার্টির সর্বভারতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা সিজেপি এই বিক্ষোভে অংশ নেবেন। তিনি তরুণদেরও তার সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র : এনডিটিভি


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category