নীলফামারী প্রতিনিধি: প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে পরিবারের অমতে বিয়ে। এরপর নববধূকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, হুমকি ও শ্বশুরবাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে তার বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিজের ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নববধূ সুমাইয়া আক্তার তিথি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় নীলফামারী সদর উপজেলার চড়াইখোলা ইউনিয়নের বেংমারী খেতুয়াপাড়া এলাকায় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। তিথি পৌরশহরের উকিলপাড়ার আব্দুস সাত্তারের মেয়ে। অন্যদিকে তার স্বামী মোবিন ইসলাম একই উপজেলার বেংমারী খেতুয়াপাড়া এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে। প্রেমের সম্পর্কের পর তারা দুজন বিয়ে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিথি বলেন, তিনি একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী এবং নিজের জীবনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তার রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই তাকে বাবার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ছাড়াও তার বাবার বিরুদ্ধে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
তিথির অভিযোগ, গত ৬ অক্টোবর রাতে তার শ্বশুরবাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় বাড়িতে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিথির স্বামী মোবিন ইসলাম বলেন, আমরা দুজনের সম্মতিতে বিয়ে করেছি। বিয়ের পর থেকে বিভিন্নভাবে আমাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
তিথির শ্বশুর খাদেমুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, তার পুত্রবধূকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে বাধা দেওয়ায় তাদের বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে। বর্তমানে তারা বিভিন্নভাবে হুমকির মুখে রয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিথি ও তার শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তিথির বাবা-মায়ের বক্তব্য জানা যায়নি।