• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
Headline
ফানুস ওড়ানোয় বিশেষ নজরদারি, বৌদ্ধদের দুই উৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে খুলনায় এবার ৮১৮টি মন্দিরে পূজা-অর্চনার আয়োজন ব্যালন ডি’অরে নতুন ভোটে মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো! ইমরান-পুত্রদের সাক্ষাৎকারের জের, ধারাভাষ্য থেকে বাদ ইংল্যান্ডের দুই কিংবদন্তি! এমিলিয়ানো মার্টিনেজের শারীরিক অবস্থার উন্নতির খবরে স্বস্তি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পূজার উপহার দিলেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী- ডিএসসিসি প্রশাসক আবারও গ্রেপ্তার ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা সরকারি চাকরিজীবীরা এ মাসেই বাড়তি বেতন পাবেন, আগের হারে ভাতা দেয়া হবে চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ করা কঠিন : ইসি মাছউদ বাংলাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে: দীনেশ ত্রিবেদী

পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন বিলুপ্ত ঘোষণা

Reporter Name / ৫৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

প্রভাত ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সংবাদমাধ্যমকে এই কমিশন বিলুপ্ত করার এবং এটিকে ‘স্কুল সার্ভিস কমিশন’-এর সঙ্গে একীভূত করার বিষয়টি জানিয়েছেন। বলা হয়েছে, এখন থেকে মাদ্রাসায় নিয়োগপ্রক্রিয়া স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য আনার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।
সম্প্রতি মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের একাধিক অভিযোগ ওঠার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের মতে, সব মাদ্রাসার নিয়োগপ্রক্রিয়া স্কুল সার্ভিস কমিশনের আওতায় নিয়ে এলে পুরো বিষয়টি আরও সুসংহত ও দ্রুততর হবে। প্রসঙ্গত, আগে সংখ্যালঘু শিক্ষা দপ্তরের অধীনে থাকা আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে এখন উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধীনে নিয়ে আসা হয়েছে।
গত মাসে পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল এবং আরও ১০০টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছিল। বন্ধ করার নির্দেশপ্রাপ্ত মাদ্রাসাগুলোর অধিকাংশই মালদা, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া জেলায় অবস্থিত ছিল। রাজ্যজুড়ে সরকারি সাহায্যবিহীন মাদ্রাসাগুলোর ওপর একটি সরেজমিন সমীক্ষা পরিচালনার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের জুন মাসে সংখ্যালঘুবিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর রাজ্যের মাদ্রাসাগুলোর ওপর এই সমীক্ষা শুরু করেছিল। সব জেলার সরকারি ও বেসরকারি মাদ্রাসাগুলোর কাজকর্ম, পরিকাঠামো, অনুমোদনের স্থিতি, পরিচালনব্যবস্থা ও শিক্ষার মান খতিয়ে দেখার জন্য এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘খারিজি’ মাদ্রাসাগুলোর ওপর। এগুলো হলো স্বাধীনভাবে পরিচালিত এমন ইসলামি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যা সরকারি অর্থায়নের পরিবর্তে জন-অনুদান ও দাতব্য ট্রাস্টের অর্থে চলে।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২ হাজার ৩৯৬টি মাদ্রাসা কোনো রকম নিবন্ধন ছাড়াই চলছিল। যেসব মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন মেনে চলছিল এবং যাদের বৈধ অনুমোদন ছিল, কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। রাজ্য সরকার বলছে, তাদের লক্ষ্য হলো মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের মূলধারার শিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া ও অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীদের মতো তাদের জন্যও সমান সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category